

আগামী ১৯ অক্টোবর (সোমবার) সারা দেশের সব জুয়েলারি প্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) বাজুসের সভাপতি এনামুল হক খানের সই করা এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, শারদীয় দুর্গোৎসবের অষ্টমী পূজা উপলক্ষ্যে দেশের সব জুয়েলারি প্রতিষ্ঠান সম্পূর্ণ বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
এ সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে আগামী ১৯ অক্টোবর সারা দেশের সব জুয়েলারি প্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখার জন্য সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীদের প্রতি অনুরোধ জানিয়েছে বাজুস। একই সঙ্গে এ বিষয়ে সবার আন্তরিক সহযোগিতা কামনা করেছে সংগঠনটি।
অর্থপাচার ও সন্ত্রাসে অর্থায়ন প্রতিরোধে সাউথইস্ট ব্যাংকের প্রশিক্ষণ
অর্থপাচার প্রতিরোধ এবং সন্ত্রাসে অর্থায়ন প্রতিরোধ কার্যক্রম আরও জোরদার করতে ট্রেড-ভিত্তিক মানি লন্ডারিং (টিবিএমএল) বিষয়ে প্রশিক্ষণ কর্মসূচির আয়োজন করেছে সাউথইস্ট ব্যাংক পিএলসি। ব্যাংকের কর্মকর্তা ও গুরুত্বপূর্ণ ব্যাংকিং অংশীদারদের মধ্যে এ বিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধি এবং সংশ্লিষ্ট নীতিমালা পরিপালন নিশ্চিত করাই ছিল এ আয়োজনের মূল লক্ষ্য। সম্প্রতি আয়োজিত এ প্রশিক্ষণ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন সাউথইস্ট ব্যাংক পিএলসির অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও চিফ রিস্ক অফিসার মো. মাহবুব আলম। স্বাগত বক্তব্যে তিনি ট্রেড-ভিত্তিক মানি লন্ডারিং এবং অর্থপাচার ও সন্ত্রাসে অর্থায়ন প্রতিরোধসংক্রান্ত (এএমএল/সিএফটি) নীতিমালা পরিপালনের ক্ষেত্রে বিদ্যমান বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ তুলে ধরেন। একই সঙ্গে টিবিএমএল প্রতিরোধে প্রয়োজনীয় করণীয় বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ মতামত ও দিকনির্দেশনা দেন। প্রশিক্ষণ কর্মসূচির সমাপনী বক্তব্য দেন সাউথইস্ট ব্যাংক পিএলসির অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও চিফ অ্যান্টি-মানি লন্ডারিং কমপ্লায়েন্স অফিসার আবিদুর রহমান চৌধুরী। তিনি ট্রেড-ভিত্তিক মানি লন্ডারিং প্রতিরোধের বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করেন এবং এএমএল/সিএফটি নীতিমালা যথাযথভাবে পরিপালনের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। এ সময় তিনি অর্থপাচার ও সন্ত্রাসে অর্থায়ন প্রতিরোধে ব্যাংকের অব্যাহত অঙ্গীকারের কথা তুলে ধরেন। পাশাপাশি ব্যাংকিং অংশীদারদের সঙ্গে পারস্পরিক আস্থাভিত্তিক সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। প্রশিক্ষণ কর্মসূচির শেষে অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে সনদপত্র বিতরণ করা হয়।

স্মার্টফোনে এজেন্টিক এআইয়ের নতুন অভিজ্ঞতা নিয়ে এলো টেকনোর ‘এলা ক্ল’
স্মার্টফোন ব্যবহারের অভিজ্ঞতাকে আরও স্মার্ট, সহজ ও ব্যক্তিগতকৃত করতে পরীক্ষামূলক এজেন্টিক এআই অ্যাসিস্ট্যান্ট ‘এলা ক্ল’ (EllaClaw) নিয়ে এসেছে গ্লোবাল প্রযুক্তি ব্র্যান্ড টেকনো। প্রতিষ্ঠানটির ‘এলা’ (Ella) অ্যাসিস্ট্যান্ট ও ‘ওপেনক্ল’ (OpenClaw) ফ্রেমওয়ার্কের সমন্বয়ে তৈরি এই প্রযুক্তি শুধু প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; বরং ব্যবহারকারীর অনুমতি নিয়ে বিভিন্ন অ্যাপের মধ্যে সমন্বয় করে দৈনন্দিন কাজ সম্পন্ন করতেও সহায়তা করতে পারে। সাধারণ চ্যাটবটের তুলনায় এজেন্টিক এআইয়ের বিশেষত্ব হলো, এটি ব্যবহারকারীর নির্দেশনা অনুযায়ী একাধিক ধাপে কাজ সম্পন্ন করতে পারে। টেকনোর দাবি অনুযায়ী, ৪০টিরও বেশি স্মার্ট স্কিলের মাধ্যমে পরিচালিত ‘এলা ক্ল’ স্মার্টফোনের পারফরম্যান্স উন্নত করা, অতিরিক্ত ব্যাটারি ও ডেটা ব্যবহারকারী অ্যাপ শনাক্ত করা, র্যাম ও সিপিইউর ব্যবহার অপটিমাইজ করা এবং ব্যাকগ্রাউন্ডে চলমান অপ্রয়োজনীয় কার্যক্রম কমাতে সহায়তা করবে। তবে গুরুত্বপূর্ণ কোনো পরিবর্তনের আগে ব্যবহারকারীর অনুমতি নেওয়ার ব্যবস্থা রয়েছে, যাতে ডিভাইসের নিয়ন্ত্রণ তাঁদের হাতেই থাকে। ব্যবহারকারীর দৈনন্দিন অভিজ্ঞতাকে আরও ব্যক্তিগতকৃত করতেও কাজ করবে এই এআই অ্যাসিস্ট্যান্ট। দীর্ঘমেয়াদি মেমোরি ব্যবহারের মাধ্যমে ক্যালেন্ডার, আবহাওয়া ও ভ্রমণসংক্রান্ত তথ্য সমন্বয় করে দিনের শুরুতে প্রয়োজনীয় আপডেট দেওয়া, ভ্রমণের অনুস্মারক তৈরি এবং যাতায়াতের পরিকল্পনা করতে পারে এটি। এ ছাড়া ব্যবহারকারীর অনুমতি নিয়ে অনলাইন শপিং, পরিবহনসেবা, খাবার অর্ডার এবং স্মার্ট হোম অ্যাপ নিয়ন্ত্রণের মতো কাজেও সহায়তা করার সক্ষমতা রয়েছে ‘এলা ক্ল’-এর। এর ‘ক্রস-অ্যাপ অটোমেশন’ (Cross-app Automation) সুবিধার মাধ্যমে একাধিক অ্যাপের মধ্যে সমন্বয় করে বিভিন্ন কাজ ধাপে ধাপে সম্পন্ন করা সম্ভব। যেমন, ব্যবহারকারীর নির্দেশনা অনুযায়ী রাইড শেয়ারিং অ্যাপে গাড়ি বুক করা, অনলাইনে খাবার অর্ডার দেওয়া কিংবা পণ্য কেনার প্রক্রিয়ায় সহায়তা করতে পারে এই এআই। পুরো প্রক্রিয়া ব্যবহারকারীর সামনে দৃশ্যমান থাকায় তাঁরা কাজের বিভিন্ন ধাপ পর্যবেক্ষণ ও নিয়ন্ত্রণ করতে পারবেন। প্রযুক্তিবিষয়ক বিভিন্ন প্রকাশনাতেও এ ধরনের এআই প্রযুক্তির সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা হয়েছে। অ্যান্ড্রয়েড অথরিটি ও গ্যাজেটম্যাচের প্রতিবেদনে ‘এলা ক্ল’-এর মতো প্রযুক্তির মাধ্যমে স্মার্টফোনের দৈনন্দিন কাজ স্বয়ংক্রিয় করা, ডিভাইসের পারফরম্যান্স উন্নত করা এবং একাধিক অ্যাপের মধ্যে সমন্বয়ের বিষয়গুলো গুরুত্ব পেয়েছে। অন্যদিকে, বাজার গবেষণা প্রতিষ্ঠান কাউন্টারপয়েন্ট রিসার্চের আলোচনায় নতুন প্রজন্মের ‘এজেন্ট ফোন’-এর ধারণা উঠে এসেছে। এই ধারণা অনুযায়ী, স্মার্টফোনের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা শুধু তথ্য সরবরাহের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকবে না; বরং ব্যবহারকারীর প্রয়োজন বুঝে একাধিক ধাপে বিভিন্ন কাজ সম্পন্ন করতেও ভূমিকা রাখবে। এ ধরনের প্রযুক্তিকে আরও বেশি ব্যবহারকারীর কাছে পৌঁছে দেওয়ার সম্ভাবনাও গুরুত্ব পাচ্ছে। বাংলাদেশের মতো দেশে স্মার্টফোন এখন যোগাযোগ, শিক্ষা, ব্যবসা-বাণিজ্য ও দৈনন্দিন বিভিন্ন সেবার গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম। এ প্রেক্ষাপটে ‘এলা ক্ল’-এর মতো এজেন্টিক এআই প্রযুক্তি স্মার্টফোন ব্যবহারের অভিজ্ঞতাকে আরও সহজ ও কার্যকর করে তুলতে পারে। বিশেষ করে একাধিক অ্যাপ ব্যবহার করে সম্পন্ন করতে হয়—এমন কাজগুলোতে স্বয়ংক্রিয় সহায়তা ব্যবহারকারীদের সময় ও শ্রম সাশ্রয়ে ভূমিকা রাখতে পারে। বর্তমানে ‘এলা ক্ল’ উন্নয়ন ও পরীক্ষামূলক পর্যায়ে রয়েছে। এ বিষয়ে বিস্তারিত জানতে টেকনো বাংলাদেশের অফিশিয়াল ওয়েবসাইট অথবা প্রতিষ্ঠানটির সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের আনুষ্ঠানিক প্ল্যাটফর্মগুলো অনুসরণ করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

দেশের স্বর্ণের দামে বড় পতন, ভরিতে কমল ৩ হাজার ২৬৬ টাকা
দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম ভরিতে ৩ হাজার ২৬৬ টাকা কমিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। নতুন দাম অনুযায়ী, ভ্যাটসহ ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ২৮ হাজার ৩১ টাকা। মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) সকালে এক বিজ্ঞপ্তিতে নতুন দাম ঘোষণা করে বাজুস। সকাল ১০টা থেকে এ দাম কার্যকর হয়েছে। বাজুস জানায়, স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণের (পিওর গোল্ড) দাম কমেছে। সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে। নতুন দর অনুযায়ী, ২১ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ২ লাখ ১৭ হাজার ৭৬৭ টাকা, ১৮ ক্যারেটের ১ লাখ ৮৭ হাজার ৩২ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির এক ভরি স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৫২ হাজার ৭৯৮ টাকা। এক ভরি স্বর্ণের ওজন ১১ দশমিক ৬৬৪ গ্রাম। বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, অলঙ্কারের ডিজাইন অনুযায়ী মজুরি প্রযোজ্য হবে। স্বর্ণ ও রৌপ্য অলঙ্কারের বিক্রয়মূল্যের সঙ্গে ভ্যাট অন্তর্ভুক্ত থাকায় ক্রেতার কাছ থেকে আলাদাভাবে ভ্যাট নেওয়া যাবে না। মজুরি ও পাথরের দাম বাদ দিয়ে অলঙ্কার বিনিময়ের ক্ষেত্রে ১২ শতাংশ এবং কেনার ক্ষেত্রে ১৮ শতাংশ বাদ দিতে হবে। তবে বিনিময় ও কেনার ক্ষেত্রে আলাদাভাবে ভ্যাট বাদ দেওয়া যাবে না। পরবর্তী সিদ্ধান্ত না আসা পর্যন্ত সব জুয়েলারি প্রতিষ্ঠানে এ দাম কার্যকর থাকবে। এর আগে গত ৯ অক্টোবর স্বর্ণের দাম সমন্বয় করেছিল বাজুস। সেদিন ভরিতে ২ হাজার ২১৬ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ভ্যাটসহ ২ লাখ ৩১ হাজার ২৯৭ টাকা নির্ধারণ করা হয়। তখন ২১ ক্যারেটের দাম ছিল ২ লাখ ২০ হাজার ৯১৬ টাকা, ১৮ ক্যারেটের ১ লাখ ৮৯ হাজার ৭১৫ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণের দাম ছিল ১ লাখ ৫৪ হাজার ৯৫৬ টাকা। ওই দামও সকাল ১০টা থেকে কার্যকর হয়েছিল। বাজুসের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছর এখন পর্যন্ত দেশের বাজারে ১২৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছে। এর মধ্যে ৬০ দফা দাম বাড়ানো হয়েছে, ৬২ দফা কমানো হয়েছে এবং এক দফা ভ্যাট সমন্বয় করা হয়েছে। ২০২৫ সালে মোট ৯৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল। সে বছর ৬৪ বার দাম বাড়ানো হয়, কমানো হয় ২৯ বার।

স্বর্ণের দামে বড় পতন, ভরিতে কমল ৩ হাজার ২৬৬ টাকা
দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম কমানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ৩ হাজার ২৬৬ টাকা কমিয়ে ২ লাখ ২৮ হাজার ৩১ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) সকাল ১০টা থেকে নতুন এ দাম কার্যকর হয়েছে। বাজুস জানিয়েছে, স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণের (পিওর গোল্ড) দাম কমে যাওয়ায় স্বর্ণের দাম সমন্বয়ের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার বাজুসের স্ট্যান্ডিং কমিটি অন প্রাইসিং অ্যান্ড প্রাইস মনিটরিংয়ের বৈঠকে স্বর্ণের দাম কমানোর এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। পরে কমিটির চেয়ারম্যান ডা. দেওয়ান আমিনুল ইসলাম শাহীনের সই করা এক বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি জানানো হয়। নতুন দাম অনুযায়ী, দেশের বাজারে ভ্যাটসহ প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম ৩ হাজার ২৬৬ টাকা কমে ২ লাখ ২৮ হাজার ৩১ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। এ ছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ৩ হাজার ১৪৯ টাকা কমে ২ লাখ ১৭ হাজার ৭৬৭ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ হাজার ৬৮২ টাকা কমে ১ লাখ ৮৭ হাজার ৩২ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ২ হাজার ১৫৮ টাকা কমে ১ লাখ ৫২ হাজার ৭৯৮ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। এর আগে গত ৯ অক্টোবর দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম বাড়ানো হয়। ওই সময় ভরিতে ২ হাজার ২১৬ টাকা বাড়িয়ে ভ্যাটসহ ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছিল ২ লাখ ৩১ হাজার ২৯৭ টাকা। ২১ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের গহনার দাম ২ হাজার ৯৯ টাকা বাড়িয়ে নির্ধারণ করা হয় ২ লাখ ২০ হাজার ৯১৬ টাকা। এছাড়া ১৮ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের গহনার দাম ১ হাজার ৮০৮ টাকা বাড়িয়ে নির্ধারণ করা হয় ১ লাখ ৮৯ হাজার ৭১৫ টাকা। আর সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের গহনার দাম ১ হাজার ৪৫৮ টাকা বাড়িয়ে নির্ধারণ করা হয় ১ লাখ ৫৪ হাজার ৯৫৬ টাকা। স্বর্ণের গহনার দাম কমানোর পাশাপাশি রুপার গহনার দামও হয়েছে। ভ্যাটসহ ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপার গহনার দাম ১১৭ টাকা কমিয়ে নির্ধারণ করা হয়েছে ৪ হাজার ১৯৯ টাকা। এছাড়া ২১ ক্যারেটের এক ভরি রুপার গহনার দাম ১৭৫ টাকা কমিয়ে ৪ হাজার ৯৬৬ টাকা, ১৮ ক্যারেটের এক ভরি রুপার গহনার দাম ১১৭ টাকা কমিয়ে ৩ হাজার ৪৪১ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির এক ভরি রুপার গহনার দাম ৫৯ টাকা কমিয়ে ২ হাজার ৬২৪ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

বিশ্ববাজারে কমল জ্বালানি তেলের দাম
টানা দাম বাড়ার পর বিশ্ববাজারে কিছুটা কমেছে অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের দাম। সৌদি আরবে হামলার কারণে সরবরাহে বিঘ্নের আশঙ্কা এবং রাশিয়া থেকে ডিজেল রপ্তানি বাড়ার সম্ভাবনার মধ্যে ওঠানামা করছে তেলের বাজার। আল জাজিরার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। মঙ্গলবার আন্তর্জাতিক বাজারে ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ব্যারেলপ্রতি ৬১ সেন্ট বা শূন্য দশমিক ৫৭ শতাংশ কমে ১০৬ দশমিক ০৪ ডলারে দাঁড়িয়েছে। অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েটের (ডব্লিউটিআই) দাম ৪৭ সেন্ট বা শূন্য দশমিক ৫ শতাংশ কমে ব্যারেলপ্রতি ৯৩ দশমিক ২৭ ডলারে নেমেছে। এর আগে সোমবার বিশ্ববাজারে তেলের দাম প্রায় ২ ডলার বেড়েছিল। ওই দিন ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ব্যারেলপ্রতি ১০৬ দশমিক ৬৫ ডলারে স্থির হয়, যা গত ১৫ সেপ্টেম্বরের পর সর্বোচ্চ সমাপনী দর। বিশ্লেষকদের মতে, সৌদি আরবে হামলার কারণে তেল সরবরাহ ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা দাম বাড়ার চাপ তৈরি করছে। অন্যদিকে, রাশিয়া থেকে ডিজেল রপ্তানি বাড়লে বাজারে সরবরাহ পরিস্থিতির উন্নতি হতে পারে। এ দুই বিপরীতমুখী পরিস্থিতির প্রভাবেই বিশ্ববাজারে তেলের দামে ওঠানামা দেখা যাচ্ছে।


