শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে রানওয়েতে চুরির সময় হাতেনাতে আজিজুর রহমান নামে এক চোরকে বিভিন্ন ক্যাবলসহ গ্রেপ্তার করেছে বন্দরের নিরাপত্তা কর্মীরা। গত বুধবার রাত সাড়ে ১২টায় বিমানবন্দরের আর্মি, বিজিবি ও নেভি হ্যাঙ্গারসংলগ্ন এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। গ্রেপ্তার মো. আজিজুর রহমান পতেঙ্গা থানার ইসলামের বাড়ির মৃত নবী হোসেনের ছেলে। গতকাল পতেঙ্গা থানার একটি মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে তাকে আদালতে পাঠায় পুলিশ।
শাহ আমানতের জনসংযোগ কর্মকর্তা প্রকৌশলী ইব্রাহিম খলিল আমাদের সময়কে জানান, বিমানবন্দরের আবাসিক এলাকার জাপানি গেটসংলগ্ন স্থানে চুরির চেষ্টার সময় একজনকে হাতেনাতে ধরা হয়েছে। পরে তাকে পতেঙ্গা থানায় হস্তান্তর করা হয়।
জানা গেছে, রাতে টহল দেওয়ার সময় আনসার সদস্য সাদাম হোসেন ও এপিসি জাহাঙ্গীর হোসেন দুজন সন্দেহভাজন ব্যক্তির উপস্থিতি লক্ষ করেন। এ সময় তারা ওই ব্যক্তিদের ধাওয়া করলে দুজনই ঘন জঙ্গলের মধ্যে পালানোর চেষ্টা করেন। ঘটনাস্থলে ফেলে যাওয়া বিভিন্ন ধরনের তার ও চুরির সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়।
প্রায় দুই ঘণ্টা ধরে ঘন জঙ্গলে অন্ধকারের মধ্যে তল্লাশি চালিয়ে একজন সন্দেহভাজন ব্যক্তিকে আটক করে। পরবর্তী সময়ে বিমানবন্দরের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে চোরকে জব্দকৃত মালামালসহ পতেঙ্গা থানায় হস্তান্তর করা হয়।
জানা গেছে, গত কয়েক মাসে বিমানবন্দরে রানওয়ে লাইট, ক্যাবল, ট্রান্সফরমারসহ কয়েক লাখ টাকার দামি সরঞ্জাম চুরি হয়েছে। এ ছাড়া রানওয়ে থেকে আন্ডার গ্রাউন্ড ক্যাবল, রানওয়ের লাইট, রানওয়ে লাইটের ভেইজ এবং লুপিং নিয়ে যায়। রানওয়ের বাইরে থেকে ওভারহেড ক্যাবলও চুরি হয়ে যাচ্ছে। এতে যে কোনো সময় রানওয়ের বৈদ্যুতিক ব্যবস্থাপনায় মারাত্মক ব্যাঘাত ঘটতে পারে। এতে বিমান ওঠানামায় প্রভাব পড়তে পারে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা। শাহ আমানতে চুরির প্রসঙ্গে পতেঙ্গা থানার ওসি পারভেজ আলী বলেন, আটক চোরকে আগে বিমান বন্দরের চুরির ঘটনায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।
