ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড (বিসিসিআই) এবং সিএবির প্রাক্তন সভাপতি, আইএফএ-র প্রাক্তন সভাপতি বিশ্বনাথ দত্তর জন্মশতবর্ষ উদ্যাপিত হল ইডেন গার্ডেন্সে। সোমবারের অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের শিল্পমন্ত্রী তাপস রায়, সিএবি এবং কলকাতা ময়দানের ক্রীড়া কর্তা-ব্যক্তিত্বেরা এবং বিশ্বনাথ দত্তের পুত্র সুব্রত দত্ত।
সিএবি কোষাধ্যক্ষ সঞ্জয় দাসের শ্রদ্ধাজ্ঞাপন। ছবি: সিএবি।
প্রয়াত কর্তার স্মৃতিচারণা করেন উপস্থিত ব্যক্তিত্বেরা। দেখানো হয় তাঁকে নিয়ে তৈরি একটি তথ্যচিত্র। সেই তথ্যচিত্রে এবং বিভিন্ন জনের স্মৃতিচারণায় বার বার উঠে এসেছে ক্রীড়া সংগঠক হিসেবে বিশ্বনাথ দত্তের দক্ষতার কথা। বাংলা তথা দেশের ক্রীড়াজগতে তাঁর অবদানের কথা। একই সঙ্গে উঠে এসেছে বিশ্বনাথ দত্তের দুই শিষ্য জগমোহন ডালমিয়া এবং অশোক ঘোষের কথা। ডালমিয়া বাংলা এবং ভারতের ক্রিকেটকে অন্য মাত্রায় তুলে নিয়ে গিয়েছিলেন তাঁর সাংগঠনিক দক্ষতা দিয়ে। নেতৃত্বে দিয়েছেন বিশ্ব ক্রিকেট সংস্থাকেও (আইসিসি)। অন্য দিকে, অশোক এক সময় ছিলেন ভারতীয় ফুটবলের মূল কান্ডারী।
সিএবির প্রাক্তন সভাপতি অভিষেক ডালমিয়ার শ্রদ্ধাজ্ঞাপন। ছবি: সিএবি।
বিশ্বনাথ দত্তের স্মৃতিচারণা করেন কলকাতা ময়দানের দুই প্রবীণতম ক্রীড়াকর্তা রবি মিত্র এবং বীরেন মিত্র। তাঁদের বয়স ৯৩। অনুষ্ঠানে উপস্থিত সকলে তাঁদের বসে বক্তব্য পেশের জন্য অনুরোধ করলেও, দু’জনেই প্রায় ৩০ মিনিট করে দাঁড়িয়ে স্মৃতিচারণা করেন। এ দিনের অনুষ্ঠানে ছিলেন সিএবির প্রাক্তন সভাপতি স্নেহাশিস গঙ্গোপাধ্যায়, অভিষেক ডালমিয়া, কোষাধ্যক্ষ সঞ্জয় দাস, সহ-সভাপতি নীতীশ রঞ্জন দত্ত, দুই প্রাক্তন ক্রিকেটার সম্বরণ বন্দ্যোপাধ্যায়, অরুণ লাল, প্রাক্তন ফুটবলার গৌতম সরকার, ইস্টবেঙ্গলের কর্তা দেবব্রত সরকার এবং আইএফএ সচিব অনির্বাণ দত্ত। সিএবির অন্য কর্তারাও উপস্থিত ছিলেন।
সিএবির প্রাক্তন সভাপতি স্নেহাশিস গঙ্গোপাধ্যায়ের শ্রদ্ধাজ্ঞাপন। ছবি: সিএবি।
তথ্যচিত্র প্রদর্শন, স্মৃতিচারণা ছাড়াও ছিল সঙ্গীতানুষ্ঠান। মনোজ মুরলি নায়ার এবং মোহর মৈত্র রবীন্দ্রসঙ্গীত পরিবেশন করেন।
বিশ্বনাথ দত্তের পুত্র সুব্রত দত্তের শ্রদ্ধাজ্ঞাপন। ছবি: সিএবি।
