বাংলা ব্যান্ড সংগীতের কিংবদন্তি এবং ‘রূপালী গিটারের জাদুকর’ আইয়ুব বাচ্চুর অষ্টম মৃত্যুবার্ষিকীতে তাঁর জন্মশহর চট্টগ্রামের মানুষ পরম শ্রদ্ধা ও ভালোবাসায় তাঁকে স্মরণ করছে। ২০১৮ সালের ১৮ অক্টোবর কোটি ভক্তকে কাঁদিয়ে না-ফেরার দেশে পাড়ি জমানো এই সুরস্রষ্টাকে স্মরণ করতে বন্দরনগরীতে আজ বিভিন্ন ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে।
রূপালী গিটারের জাদুকর আইয়ুব বাচ্চুর চলে যাবার দিন আজ রবিবার। আট বছর আগে এইদিনে কোটি কোটি ভক্তকে কাঁদিয়ে আকস্মিক চিরপ্রস্থান ঘটেছিল বাংলা ব্যান্ড সংগীত জগতের এ কিংবদন্তী শিল্পীর।
- Advertisement -
প্রয়াণের অষ্টম বার্ষিকীতে ‘এবিকে’ স্মরণ করবে জন্মশহর চট্টগ্রামের মানুষ। আর পরিবারের পক্ষ থেকে আয়োজন করা হয়েছে মিলাদ ও দোয়া মাহফিলের।
রবিবার (১৭ অক্টোবর) মাগরিবের নামাজের পর নগরীর ফিরিঙ্গীবাজার মসজিদে মিলাদ ও দোয়া মাহফিল হবে। এতে সবার উপস্থিতি কামনা করছেন এবির পরিবার।
২০১৮ সালের ১৮ অক্টোবর আইয়ুব বাচ্চু হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মাত্র ৫৬ বছর বয়সে চিরবিদায় নেন। শেষ ইচ্ছে অনুযায়ী চট্টগ্রামের চৈতন্য গলির কবরস্থানে মায়ের পাশে তিনি শায়িত আছেন।
চট্টগ্রামে জন্ম ও বেড়ে ওঠা আইয়ূব বাচ্চুর। সংগীত জগতে যাত্রা শুরু ১৯৭৮ সালে ‘ফিলিংস’ ব্যান্ডের মাধ্যমে। ১৯৮০ থেকে একদশক ছিলেন সোলসের প্রধান গিটারিস্ট। ১৯৯১ সালে নিজেই প্রতিষ্ঠা করেন এলআরবি। ক্যারিয়ারে একাধারে ব্যান্ডের রক, মেলোডি, চলচ্চিত্রের অসংখ্য গান উপহার দিয়েছেন শ্রোতাদের।
রুপালী গিটার, ফেরারি এই মনটা আমার, মা, বাংলাদেশ, ঘুম ভাঙা শহরে, হকার, উড়াল দেবো আকাশে, কষ্ট পেতে ভালোবাসি, সেই তুমি কেন এতো অচেনা হলে, আম্মাজান। এমন অসংখ্য গান এখনও মাতিয়ে রাখে শ্রোতাদের। ফিরিয়ে আনে আইয়ূব বাচ্চুর স্মৃতি।
