অনলাইন ডেস্ক: হাড়ের গঠন মজবুত রাখা এবং শরীরে ক্যালসিয়ামের স্বাভাবিক শোষণ নিশ্চিত করতে 'ভিটামিন ডি' অত্যন্ত অপরিহার্য। তবে চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া অতিরিক্ত মাত্রায় এই ভিটামিনের সাপ্লিমেন্ট গ্রহণ করলে কিডনিতে পাথর হওয়ার মারাত্মক ঝুঁকি তৈরি হতে পারে।
গবেষণায় দেখা গেছে, মাত্রাতিরিক্ত ভিটামিন ডি সেবনের ফলে রক্তে ক্যালসিয়ামের পরিমাণ অত্যাধিক বেড়ে যায় (হাইপারক্যালসিমিয়া)। অতিরিক্ত এই ক্যালসিয়াম শরীর থেকে প্রস্রাবের মাধ্যমে বের হতে না পেরে কিডনিতে জমা হতে শুরু করে। পরবর্তীতে এগুলো ‘ক্যালসিয়াম-অক্সালেট’ বা ‘ক্যালসিয়াম-ফসফেট’ পাথরে পরিণত হয়, যা কিডনির স্বাভাবিক কার্যক্ষমতা নষ্ট করতে পারে।
অতিরিক্ত ভিটামিন ডি গ্রহণের লক্ষণ ও শারীরিক ঝুঁকি:
কিডনিতে পাথর ও ক্ষতি: রক্তে জমতে থাকা বাড়তি ক্যালসিয়াম কিডনিতে জমা হয়ে পাথর তৈরি করে এবং দীর্ঘমেয়াদে কিডনির কার্যকারিতা কমিয়ে দেয়।
অন্যান্য শারীরিক সমস্যা: শরীরে ক্যালসিয়ামের মাত্রা বেশি হলে বমি বমি ভাব, শারীরিক দুর্বলতা এবং মানসিক বিভ্রান্তির মতো উপসর্গ দেখা দিতে পারে।
হাড় ভঙ্গুর হওয়া: সাধারণ ধারণা হলো বেশি ভিটামিন ডি খেলে হাড় শক্ত হয়, কিন্তু অতিরিক্ত গ্রহণের ফলে হাড় বরং আরও ভঙ্গুর হয়ে পড়ার ঝুঁকি থাকে।
দৈনন্দিন চাহিদা ও পরামর্শ:
চিকিৎসাবিজ্ঞান অনুযায়ী, একজন প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের দৈনিক গড়ে ৬০০ থেকে ৮০০ আইইউ (IU) ভিটামিন ডি গ্রহণই যথেষ্ট। তাই ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া যেকোনো ধরনের উচ্চমাত্রার সাপ্লিমেন্ট সেবন না করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। (সূত্র: নিউজ ১৮)
এটিভি/ আর এম
