দ্যা নিউজ নারায়ণগঞ্জ ডটকম | স্টাফ রিপোর্টার প্রকাশিত: অক্টোবর ২২, ২০২৬, ০৯:২৭ পিএম
সনাতন ধর্মাবলম্বীদের প্রধান ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গোৎসব নারায়ণগঞ্জ জেলার ২৪০টি পূজামণ্ডপে ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য, শান্তি, সম্প্রীতি ও উৎসবমুখর পরিবেশে সুষ্ঠু ও সুন্দরভাবে সম্পন্ন হয়েছে।
দুর্গোৎসব নির্বিঘ্নে সম্পন্ন হওয়ায় নারায়ণগঞ্জ জেলা ও মহানগর হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের পক্ষ থেকে নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসন, জেলা পুলিশ প্রশাসন, নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশন, জেলা পরিষদ, (র্যাব), এসআরবি, বাংলাদেশ সেনাবাহিনী, বিজিবি, আনসার, ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স, সিভিল সার্জন, নারায়ণগঞ্জ প্রেসক্লাব, রেড ক্রিসেন্ট, জেলা রোভারসহ সংশ্লিষ্ট সকল প্রতিষ্ঠানকে আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানানো হয়েছে।
এছাড়া জেলা ও মহানগর বিএনপি, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ, এনসিপি, গণসংহতি আন্দোলন, বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি সহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ, জেলা ও মহানগর পুজা উদযাপন পরিষদ, পুজা উদযাপন ফ্রন্ট, হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান কল্যাণ ফ্রন্ট, হিন্দু মহাজোট, জাগো হিন্দু পরিষদ, সম্মিলিত সনাতনী সংগঠন সমুহ, সকল প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দ, বিভিন্ন সামাজিক ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন এবং স্বেচ্ছাসেবীদের প্রতিও ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা হয়েছে।
বিজয়া দশমীর দিনে ২১ অক্টোবর বুধবার রাতে জেলা ও মহানগর হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের পক্ষ থেকে এ ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানানো হয়।
নারায়ণগঞ্জ জেলা হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের সভাপতি প্রদীপ কুমার দাস বলেন, “শারদীয় দুর্গোৎসব একটি ধর্মীয় উৎসব হলেও এর আনন্দ ও সৌন্দর্য কোনো একটি স¤প্রদায়ের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। নারায়ণগঞ্জে সব ধর্ম ও মতের মানুষের সম্মিলিত অংশগ্রহণে দুর্গোৎসব একটি সার্বজনীন উৎসবে পরিণত হয়েছে। এবার জেলার ২৪০টি পূজামÐপে শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশে পূজা সম্পন্ন হওয়া আমাদের জন্য অত্যন্ত আনন্দ ও স্বস্তির বিষয়।”
তিনি আরও বলেন, “দুর্গোৎসবকে নিরাপদ ও নির্বিঘ্ন রাখতে জেলা প্রশাসন ও পুলিশ প্রশাসন সহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা যে দায়িত্বশীলতা ও আন্তরিকতার পরিচয় দিয়েছেন, তা নিঃসন্দেহে প্রশংসনীয়। ডিজিএফআই, এনএসআই, ডিবি, ডিএসবি, সিআইডি, ট্রাফিক পুলিশ, র্যাব এসআরবি, আনসার, বিজিবি, বাংলাদেশ সেনাবাহিনী, বিআইডবিøউটিএ, ফায়ার সার্ভিসসহ প্রশাসনের বিভিন্ন ইউনিটের সদস্যরা দিন-রাত দায়িত্ব পালন করেছেন। একই সঙ্গে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ, গণমাধ্যমকর্মী, সামাজিক সংগঠন, স্বেচ্ছাসেবক এবং সনাতন সম্প্রদায়ের নেতৃবৃন্দ যেভাবে পাশে দাঁড়িয়েছেন, তার জন্য আমরা সকলের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা জানাই।”
