লোকবল কম, মনোবল নয়! শ্রীরামপুরের গোস্বামী পাড়ার ছোট্ট আবাসনে প্রায় ১০০টি পরিবার। দুর্গাপুজোর আয়োজন করতে যত লোক প্রয়োজন, তা নেই। কিন্তু উৎসাহে খামতি নেই কারও। শহুরে জাঁকজমক নয়, সাবেক প্রতিমা আর চেনা রীতিতেই পুজোর আনন্দ খুঁজে পান তাঁরা।
এই পুজোর বিশেষত্ব অবশ্য শুধু প্রতিমার সাজে নয়, খাওয়াদাওয়ার নিয়মেও। প্রতিমা আবাসনে এসে পৌঁছোলেই আর কারও বাড়িতে হাঁড়ি চড়ে না। সকলে মিলে একসঙ্গে খাওয়াদাওয়া করেন। তাতে বাড়ির মহিলারাও রান্নার ব্যস্ততা থেকে খানিকটা মুক্তি পান।
আবাসনের বাসিন্দা আভাস সরকার বললেন, “আমাদের পুজোর বিশেষত্ব হল প্রতিমার আসার পরে কারও বাড়িতে হাঁড়ি চড়ে না। সকলে একসঙ্গে খাওয়াদাওয়া করি। বাড়ির মহিলাদের বিশ্রাম দিই। অষ্টমী বাদ দিয়ে চার দিনই জমিয়ে আমিষ খাওয়াদাওয়া হয়।”
প্রতিবেশীদের নিয়ে একসঙ্গে খাওয়াদাওয়া, আড্ডা আর উৎসবের আনন্দ ভাগ করে নেওয়াই এই পুজোর আসল প্রাপ্তি। এ বারের আয়োজনে বাড়তি পাওনা অভিনেতা সৌরভ দাসের উপস্থিতি। মহালয়ার পরের দিন আবাসনের পুজো উদ্বোধন করতে এসেছিলেন তিনি।
লোকসংখ্যা কম হলেও একসঙ্গে থাকার আনন্দে যে কোনও খামতি নেই, গোস্বামী পাড়ার এই পুজো যেন সেই কথাই বলে।
এই প্রতিবেদনটি "আনন্দ উৎসব" ফিচারের একটি অংশ।
