ফ্রান্সে সাম্প্রতিক বিক্ষোভ ও সহিংসতার জন্য আবারও অভিবাসনকে দায়ী করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। একই সঙ্গে ইউরোপের দেশগুলো এবং ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রনকে সীমান্ত নিয়ন্ত্রণ আরও কঠোর করার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি। বার্তাসংস্থা আল-জাজিরার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানা যায়।
সোমবার ওয়াশিংটনে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ট্রাম্প বলেন, ‘ফ্রান্সে যা ঘটছে, তার সঙ্গে অভিবাসনের সম্পর্ক রয়েছে; স্কুল বা অন্য কোনো কিছুর সঙ্গে নয়।’ আগের দিনও একই ধরনের মন্তব্য করেছিলেন তিনি।
ম্যাক্রনের সঙ্গে নিজের এক পুরোনো কথোপকথনের প্রসঙ্গ টেনে ট্রাম্প বলেন, তিনি ফরাসি প্রেসিডেন্টকে অনেক আগেই সতর্ক করেছিলেন যে, বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে মানুষকে ফ্রান্সে প্রবেশ করতে দেওয়াটা বড় ভুল।
ট্রাম্প আরও বলেন, ‘প্যারিস খুব শিগগিরই একটি মুসলিম শহরে পরিণত হবে।’ ৮০ বছর বয়সী এই রিপাবলিকান নেতা ইউরোপের সীমান্তনীতি নিয়ে সমালোচনা করে বলেন, ‘ইউরোপ যদি সীমান্ত বন্ধ না করে এবং বিক্ষোভে অংশ নেওয়া ব্যক্তিদের মতো অপরাধীদের বের করে না দেয়, তাহলে ইউরোপের অস্তিত্বই বিপন্ন হবে।’
গত সপ্তাহান্তে ফ্রান্সের প্যারিসসহ বিভিন্ন শহরে নিত্যপণ্যের মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে বিক্ষোভ হয়। এসব বিক্ষোভের কয়েকটি স্থানে সহিংসতা ছড়িয়ে পড়ে। সাম্প্রতিক বছরগুলোর মধ্যে দেশটিতে দেখা যাওয়া সবচেয়ে ভয়াবহ পথ-সহিংসতার ঘটনাগুলোর মধ্যে এগুলো অন্যতম বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
