ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইলে ১৩ বছর বয়সী এক কিশোরীকে দলবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগে বাহার মিয়া (২২) ও নাঈম মিয়া (২৪) নামের দুই তরুণকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তাঁদের মধ্যে নাঈমকে আজ রোববার দুপুরে ঢাকার মোহাম্মদপুর থেকে এবং বাহারকে গতকাল শনিবার সরাইল থেকে গ্রেপ্তার করা হয়।
বাহারকে আজ আদালতের মাধ্যমে ব্রাহ্মণবাড়িয়া কারাগারে পাঠানো হয়েছে। আর নাঈম সরাইল থানা-পুলিশের হেফাজতে আছেন।
পুলিশ ও মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার একটি মাদ্রাসায় ৭ অক্টোবর রাতে ওয়াজ মাহফিল চলছিল। ওই কিশোরী রাত আটটার দিকে বাড়ি থেকে বের হয়ে ওয়াজ মাহফিলে যাচ্ছিল। বাড়ি থেকে কিছু দূর যাওয়ার পর চার ব্যক্তি ওই কিশোরীকে জোর করে ব্যাটারিচালিত একটি অটোরিকশায় তুলে নির্জন স্থানে নিয়ে যায়। পরে তাদের সঙ্গে যুক্ত হয় আরও দুজন। সেখানে কিশোরীকে তিন ব্যক্তি ধর্ষণ করে। রাত সাড়ে ১১টার দিকে অচেতন অবস্থায় ওই কিশোরীকে অটোরিকশায় করে বাড়ির সামনে ফেলে রাখা হয়। পরিবারের লোকজন তাকে প্রথমে স্থানীয় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। অবস্থার অবনতি হলে পরে তাকে জেলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এ ঘটনায় কিশোরীর মা শনিবার রাতে সরাইল থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করেন।
সরাইল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মনজুর কাদের ভূঁইয়া প্রথম আলোকে বলেন, গ্রেপ্তার তরুণেরা ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন। অন্য চারজনকে শনাক্ত করা হয়েছে। তাঁদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে। তিনি বলেন, ঘটনাটি ভিন্ন দিকে নিতে একটি প্রতারক চক্র কাজ করছিল। এ জন্য পরিবারের লোকজন মামলা করতে দেরি করেছেন। মামলার তদন্ত চলছে। জড়িত ব্যক্তিদের আইনের আওতায় আনা হবে।
