Published on
:
2 min read
সমুদ্রে স্নান করতে গিয়ে তিন পর্যটকের মৃত্যুর ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়াল। বুধবার, দশমীর বিকেলে ঘটনাটি ঘটেছে বাংলাদেশের কক্সবাজারের হিমছড়ি এলাকায়। এই ঘটনায় আরও দুই পর্যটক নিখোঁজ বলেও জানা গিয়েছে। বুধবার সন্ধে পর্যন্ত তল্লাশি চালিয়েও ওই ২ জনের কোনও খোঁজ পাওয়া যায়নি বলে খবর।
পুলিশ জানিয়েছে, মৃতদের নাম মহম্মদ বোরহান (২৩), সাইফুল ইসলাম (২৩) এবং নাসিফুল হক (২২)। পুলিশ জানিয়েছে, তাঁরা সকলেই ঢাকার উত্তরার বাসিন্দা।
স্থানীয় সূত্রে খবর, গত ১৮ অক্টোবর ঢাকা থেকে ১২ জনের একটি দল বান্দরবানে বেড়াতে যান। সেখান থেকে তাঁরা বুধবার দুপুরে কক্সবাজারের সমুদ্র সৈকতে পৌঁছন। বুধবার বিকেল সাড়ে চারটে নাগাদ কক্সবাজার-টেকনাফ মেরিন ড্রাইভে হিমছড়ি মেরিনা রিসর্টের জাদুঘর সংলগ্ন এলাকায় সমুদ্রে নামেন ওই দলের পাঁচ জন। সেই সময়ে হঠাৎই একটি বড় ঢেউ এসে যাওয়ায় টাল সামলাতে না পেরে পড়ে যান পাঁচজনই। সমুদ্রের জলে মুহূর্তের মধ্যেই তলিয়ে যান তাঁরা।
ঘটনার খবর পেয়ে দমকল বিভাগের কর্মীরা, বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী এবং উদ্ধারকারী দলের সদস্যরা ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন। শুরু হয় তল্লাশি। বেশ খানিকক্ষণের চেষ্টায় জলের মধ্যে থেকে তিন জনের দেহ উদ্ধার হয়। তবে, দু’জন এখনও নিখোঁজ রয়েছেন। তাঁদের খোঁজে তল্লাশি চালানো হচ্ছে।
সূত্রের খবর, ওই পর্যটকদের কেউই সাঁতার জানতেন না। চান করার সময়ে তাঁরা ঢেউয়ের তোড়ে ভারসাম্য হারিয়ে পড়ে গেলে বাকিরা উদ্ধার করতে এগিয়ে যান। তবে, প্রতিকূল পরিস্থিতির কারণে তাঁরা ওই পর্যটকদের খুঁজে পাননি। এ বিষয়ে পুলিশ আধিকারিক এ কে ফজলুল হক জানান, নিখোঁজ দুই পর্যটকের খোঁজে তল্লাশি চলছে।
উদ্ধারকারী দলের তরফে ইমতিয়াজ আহমেদ জানান, কক্সবাজারে পুজোর মরশুমে প্রায় ৩ লক্ষ পর্যটকের সমাগম হয়েছে। দশমীতে প্রতিমা নিরঞ্জনের জন্য বহু মানুষের সমাগমও হয়েছে। বিভিন্ন জায়গায় ভিড় দেখে অনেক পর্যটকই জনপ্রিয় সৈকতের তুলনায় অপেক্ষাকৃত ফাঁকা জায়গায় স্নান করতে যাচ্ছেন। এতেই বিপত্তি বাড়ছে বলে দাবি ইমতিয়াজের।
