শারদীয় দুর্গোৎসব উপলক্ষে লালমনিরহাটের হাতীবান্ধা উপজেলার কেন্দ্রীয় মন্দির পরিদর্শন করেছেন তিস্তা ব্যাটালিয়ন (৬১ বিজিবি) অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল শাহিনুল ইসলাম। এ সময় তিনি জানান, হাতীবান্ধা ও পাটগ্রাম উপজেলার সীমান্তবর্তী ৬৫টি পূজামণ্ডপের নিরাপত্তায় ১২ প্লাটুন বিজিবি সদস্য দায়িত্ব পালন করছেন।
শনিবার (১৭ অক্টোবর) সন্ধায় উপজেলার কেন্দ্রীয় মন্দির পরিদর্শনকালে তিনি বলেন, সীমান্ত সুরক্ষার পাশাপাশি সীমান্ত থেকে আট কিলোমিটারের মধ্যে অবস্থিত পূজামণ্ডপগুলোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কাজ করছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)।
লেফটেন্যান্ট কর্নেল শাহিনুল ইসলাম বলেন, দুর্গোৎসব ঘিরে গত ১০ অক্টোবর থেকে নিরাপত্তা কার্যক্রমের প্রথম পর্ব শুরু হয়। এ সময় বিজিবি সদস্যরা প্রতিটি পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করেন, আয়োজকদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন এবং মাঠপর্যায়ে তথ্য সংগ্রহ করে ঝুঁকি যাচাই করেন। পাশাপাশি পুলিশ, এসআরবি, গোয়েন্দা সংস্থা ও সিভিল প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় করা হয়।
তিনি আরও বলেন, ১৬ অক্টোবর থেকে নিরাপত্তা কার্যক্রমের দ্বিতীয় পর্ব শুরু হয়েছে। ৬১ বিজিবির ১২ প্লাটুন সদস্য ১৪টি সীমান্তবর্তী বিওপি থেকে দায়িত্ব পালন করছেন। এ ছাড়া হাতীবান্ধা সদরে একটি বেইস ক্যাম্প স্থাপন করা হয়েছে।
বিজিবির মূল দায়িত্ব সম্পর্কে তিনি বলেন, মোবাইল ফোর্স হিসেবে পূজামণ্ডপগুলোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হচ্ছে। মাঠপর্যায়ের হালনাগাদ তথ্য ও গোয়েন্দা নজরদারির ভিত্তিতে নিরাপত্তাব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে।
সীমান্তবর্তী এলাকার সনাতন ধর্মাবলম্বীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, হাতীবান্ধা ও পাটগ্রামে মানুষজন নির্ভয়ে উৎসবমুখর পরিবেশে পূজা উদযাপন করছেন। বিজিবি সদস্যরা তাঁদের পাশে থেকে দায়িত্ব পালন করছেন। বিজিবির ওপর আস্থা রাখার আহ্বান জানান তিনি।
পরিদর্শনকালে হাতীবান্ধা উপজেলা কেন্দ্রীয় মন্দির কমিটির সভাপতি দুলাল চন্দ্র অধিকারী উপস্থিত ছিলেন। এ সময় লেফটেন্যান্ট কর্নেল শাহিনুল ইসলাম সনাতন ধর্মাবলম্বীদের শারদীয় শুভেচ্ছা জানান।
