অনলাইন ডেস্ক
আগামী আগস্টের দ্বিতীয় বা তৃতীয় সপ্তাহেই দেশের নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে পারে বলে সরকার–সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে। যদিও এ বিষয়ে এখনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেওয়া হয়নি, নির্বাচন কমিশন ইতোমধ্যে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি শুরু করেছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলোর দাবি, বিএনপির নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে সম্ভাব্য রাষ্ট্রপতি প্রার্থী নিয়ে আলোচনা চলছে। বিভিন্ন নাম আলোচনায় থাকলেও দলের মহাসচিব ও স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের নামই সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব পাচ্ছে। তবে এ বিষয়ে বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটি এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্ত নেয়নি।
মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর জানিয়েছেন, রাষ্ট্রপতি পদে দলীয় বা নির্দলীয় প্রার্থী মনোনয়নের সিদ্ধান্ত সংবিধান ও আইন অনুযায়ী বিএনপির স্থায়ী কমিটির বৈঠকেই নেওয়া হবে।
রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের পদত্যাগের পর বর্তমানে জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করছেন। সংবিধান অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হওয়ার ৯০ দিনের মধ্যে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচন সম্পন্ন করতে হবে।
নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, সংসদ সচিবালয় থেকে সংসদ সদস্যদের ভোটার তালিকা পাওয়ার পর তফসিল ঘোষণা করা হবে। একাধিক প্রার্থী থাকলে জাতীয় সংসদ ভবনে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে, আর একমাত্র বৈধ প্রার্থী থাকলে তাঁকে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত ঘোষণা করা হবে।
দলীয় সূত্রের ভাষ্য, দীর্ঘদিন মহাসচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন, রাজনৈতিক গ্রহণযোগ্যতা এবং সংকটকালীন নেতৃত্বের কারণে মির্জা ফখরুল সম্ভাব্য প্রার্থীদের মধ্যে সবচেয়ে আলোচিত। তবে তিনি রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হলে মন্ত্রিসভা, বিএনপির মহাসচিব পদ এবং তাঁর সংসদীয় আসনে উপনির্বাচনসহ একাধিক সাংগঠনিক পরিবর্তনের প্রয়োজন হবে।
