দিল্লিতে ককরোচ জনতা পার্টির আন্দোলন ঘিরে দেশের বিভিন্ন অংশে রাজনৈতিক উত্তাপ ছড়িয়েছে। গত কয়েক মাস ধরে সিজেপি কেন্দ্রের বিজেপি সরকারের বিরুদ্ধে একাধিক বক্তব্য রেখেছে। দেশের সার্বভৌম্যত্ব নষ্ট করতে ‘আরশোলা’রা চেষ্টা করছে, এমনই গুরুতর অভিযোগ করছে বিজেপি। ‘আরশোলা’, ‘ছারপোকা’দের রুখতে বার্তাও দেওয়া হচ্ছে। পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীও ‘আরশোলা’দের রোখার বার্তা দিয়ে আসছেন। এবার ‘আরশোলা’দের রুখতে ছোট থেকেই স্কুলে ‘রাষ্ট্রবাদে’র পাঠের কথা বললেন মুখ্যমন্ত্রী।
এদিন পূর্ব মেদিনীপুরের রামনগরে চোরবাগানে মৃত কল্পনা জানার বাড়িতে শ্রদ্ধা জানাতে গিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। তার আগে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে কৃষি, শিল্প, শিক্ষা থেকে সিজেপি আন্দোলন নিয়ে বক্তব্য রাখেন তিনি। সেখানেই মুখ্যমন্ত্রী আরও একবার ‘আরশোলা’দের রোখার বার্তা দিয়েছেন। তিনি বলেন, “ছাত্রছাত্রীদের রাষ্ট্রবাদী করার জন্য প্রত্যেক বছর তিনদিন করে অন্তত বিতর্ক, কুইজ প্রতিযোগিতা তাৎক্ষণিক বক্তৃতা এগুলোও কালচারাল ইভেন্টের মধ্যে আনতে হবে। তাহলেই এই ‘আরশোলা’, ‘ছারপোকা’ ‘দিমাগি নকশাল’, টুকরে টুকরে গ্যাং, কাশ্মীর মাঙ্গে আজাদি- এইসব ভাইস যে করোনা ভাইরাসের মতো চেষ্টা করছে, এদেরকে তাহলে আর হিট লাগত না স্প্রে করার জন্য।”
বাম ও তৃণমূলকে খোঁচা দিয়ে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “৩৪ বছরের নাস্তিক ও ১৫ বছরের জামাতিরা ঐতিহ্য, সংস্কৃতি… এনসিসি তুলে দিয়েছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এনসিসি কেউ তুলে দেয়? মা-কে আম্মা এইসব শিখিয়েছে। ফুফু, রংধনু এইসব কী? সব পরিবর্তন করার দরকার আছে।” স্কুলে মোবাইল ফোন নিষিদ্ধ করা, পাশ-ফেল প্রথা ফিরিয়ে আনার পক্ষেই মত দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি আরও বলেন, “ভারতবর্ষের ইতিহাস, পশ্চিমবঙ্গের ইতিহাস-এগুলোও ছাত্রছাতীদের মধ্যে সঞ্চারিত করা উচিত। এছাড়াও ব্রতচারী, এনএসএস, প্রত্যেকটা স্কুলে এনসিসি এগুলো ফিরিয়ে আনা দরকার।”
