The Sangbad · সাধারণ
দুমকিতে সুষ্ঠু বর্জ্য ব্যবস্থাপনা গড়ে তুলতে হবে
১৭/১০/২০২৬

পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলা সদরে যত্রতত্র ময়লা-আবর্জনা ফেলা হচ্ছে। সড়ক, বাজার, আবাসিক এলাকা এমনকি খালেও ফেলা হচ্ছে বাসাবাড়ি ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের বর্জ্য। আবর্জনার দুর্গন্ধে দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন স্থানীয় বাসিন্দা, ব্যবসায়ী ও পথচারীরা। দূষিত হচ্ছে পরিবেশ, বাড়ছে স্বাস্থ্যঝুঁকি। এ নিয়ে সংবাদ-এ প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে।জানা গেছে, দুমকি সদরের নতুন বাজার, পীরতলা বাজার, থানা পুলসংলগ্ন এলাকা এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের আশপাশে ময়লার স্তূপ জমেছে। নিয়মিত বর্জ্য সংগ্রহ ও অপসারণের ব্যবস্থা না থাকায় এসব স্থান ময়লার ভাগাড়ে পরিণত হয়েছে। উদ্বেগের বিষয় হচ্ছে, উপজেলা সদরের প্রাণকেন্দ্র দিয়ে বয়ে যাওয়া পীরতলা খালেও ফেলা হচ্ছে বিপুল পরিমাণ বর্জ্য। দখল ও ভরাটের কারণে আগে থেকেই সংকুচিত খালটি এভাবে দূষিত হতে থাকলে এর স্বাভাবিক প্রবাহ বাধাগ্রস্ত হবে। ক্ষতিগ্রস্ত হবে পরিবেশ ও জনজীবন।এই সমস্যার জন্য শুধু মানুষের অসচেতনতাকে দায়ী করলে চলবে না। বাসাবাড়ি ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের বর্জ্য ফেলার নির্দিষ্ট স্থান এবং নিয়মিত সংগ্রহের ব্যবস্থা না থাকলে মানুষ যেখানে-সেখানে ময়লা ফেলতে উৎসাহিত হয়। আবার নাগরিকদেরও দায়িত্বশীল হতে হবে। নির্ধারিত স্থানে বর্জ্য না ফেলে খাল, সড়ক কিংবা খোলা জায়গায় ময়লা ফেলা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।দুমকি উপজেলা প্রশাসন মাঝেমধ্যে বর্জ্য পরিষ্কার করলেও তা স্থায়ী সমাধান নয়। সেখানে টেকসেই বর্জ্য ব্যবস্থাপনা গড়ে তুলতে হবে। গুরুত্বপূর্ণ স্থানে ডাস্টবিন স্থাপন, নিয়মিত বর্জ্য সংগ্রহ এবং বর্জ্য প্রক্রিয়াকরণ কেন্দ্র গড়ে তুলতে হবে। পাশাপাশি খাল পরিষ্কার রাখা এবং যত্রতত্র ময়লা ফেলা বন্ধে নিয়মিত মনিটরিং করতে হবে। দুমকি সদরকে পরিচ্ছন্ন ও বাসযোগ্য রাখতে উপজেলা প্রশাসন, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, ব্যবসায়ী এবং সাধারণ মানুষকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে।
মূল প্রতিবেদনে যান ↗