অতি সম্প্রতি বিশেষজ্ঞরা জোর দিচ্ছেন- শুধু সময়ের ওপর নয়, বরং কনটেন্টের গুণগত মান ও ব্যবহারের ভারসাম্যের ওপর।
শিশু-কিশোরদের দৈনিক কতক্ষণ মোবাইল ব্যবহার বা স্ক্রিন টাইম (Screen Time) দেওয়া উচিত, সে বিষয়ে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO) এবং আমেরিকান একাডেমি অব পেডিয়াট্রিকস (AAP) নির্দিষ্ট গাইডলাইন দিয়েছে। তবে অতি সম্প্রতি বিশেষজ্ঞরা জোর দিচ্ছেন- শুধু সময়ের ওপর নয়, বরং কনটেন্টের গুণগত মান ও ব্যবহারের ভারসাম্যের ওপর।
## বয়স অনুযায়ী মোবাইল বা স্ক্রিন ব্যবহারের নিরাপদ সময়সীমা:
* ১৮ মাসের কম (দেড় বছর): কোনো ধরনের স্ক্রিন দেওয়া যাবে না। কেবল দূরে থাকা আত্মীয়দের সাথে ভিডিও কল করার অনুমতি দেওয়া যেতে পারে।
* ১৮ থেকে ২৪ মাস: সাধারণত স্ক্রিন না দেওয়াই ভালো। তবে দিলে তা কেবল অত্যন্ত উচ্চমানের শিক্ষামূলক কনটেন্ট হতে হবে এবং অবশ্যই অভিভাবককে সাথে বসে দেখতে হবে।
* ২ থেকে ৫ বছর: দৈনিক সর্বোচ্চ ১ ঘণ্টা। এই সময়েও একা একা ফোন ছেড়ে না দিয়ে বাবা-মা সাথে থেকে বিষয়টি বুঝিয়ে বলা উচিত।
* ৬ থেকে ১২ বছর: বিনোদনমূলক বা রিক্রিয়েশনাল কাজের জন্য দৈনিক সর্বোচ্চ ২ ঘণ্টা।
* ১৩ থেকে ১৮ বছর (কিশোর-কিশোরী): দৈনিক সর্বোচ্চ ২ থেকে ৩ ঘণ্টা। তবে পড়াশোনার কাজ এর বাইরে থাকতে পারে।
