ছবি: সংগৃহীত
-->প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আজ বৃহস্পতিবার খুলনা ও বাগেরহাট জেলা সফরে আসছেন। তার সফরকে ঘিরে দুই জেলার নেতা-কর্মীদের মধ্যে উচ্ছ্বাস বিরাজ করছে। তবে প্রধানমন্ত্রীর এ সফরে রাজনৈতিক কোনো কর্মসূচি নেই বলে জানিয়েছেন খুলনা জেলা বিএনপির নেতারা।
দলটির একটি সূত্র জানিয়েছে, প্রধানমন্ত্রী উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে পিছিয়ে থাকা খুলনা-বাগেরহাটের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড সরাসরি পর্যবেক্ষণ করতে আসছেন।
সফরসূচি অনুযায়ী, আজ সকাল সাড়ে ১০টায় প্রধানমন্ত্রী হেলিকপ্টারে হিরণ পয়েন্ট ও সুন্দরবন পর্যবেক্ষণ শেষে খুলনার দাকোপের নলিয়ান মাধ্যমিক বিদ্যালয় মাঠে অবতরণ করবেন। এরপর তিনি লঞ্চে করে বাগেরহাটের মোংলায় বানৌজা মোংলা জেটিতে যাবেন ও দুপুর পৌনে ২টায় ওয়ার্ডরুমের সভাকক্ষে আয়োজিত সভায় যোগ দেবেন। বেলা ৩টায় মোংলা বন্দরের জেটি ও সাড়ে ৩টায় প্রস্তাবিত মোংলা ইকোনমিক জোন এলাকা পরিদর্শন করবেন।
আরও পড়ুন
জাতীয় সংসদের হুইপ ও খুলনা-৩ আসনের সংসদ সদস্য রকিবুল ইসলাম বকুল বলেন, এ অঞ্চলের উন্নয়ন কর্মকাণ্ড ও কীভাবে এখানকার মানুষের জীবনমানের উন্নয়ন করা যায় তা সরাসরি দেখতে প্রধানমন্ত্রী খুলনা-বাগেরহাটে আসছেন।
খুলনা সিটি করপোরেশনের প্রশাসক নজরুল ইসলাম মঞ্জু বলেন, প্রধানমন্ত্রীর ভাবনাটা এই অঞ্চলের মানুষের প্রত্যাশার সঙ্গে সংগতিপূর্ণ। মানুষ চান এই অঞ্চলটি অর্থনৈতিকভাবে সমৃদ্ধ হোক, যা বিগত ১৫-১৬ বছরে হয়নি। এবার সেই দ্বার উন্মোচিত হতে যাচ্ছে। এই সফরকে ঘিরে মোংলা বন্দরকেন্দ্রিক বাণিজ্য-বিনিয়োগ বাড়বে।
ইপিজেড সচল হবে। কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে। প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ–তিনি দেখবেন, জানবেন এবং সিদ্ধান্ত নেবেন।
এদিকে মোংলায় ইকোনমিক জোন তৈরি হলে বন্দরকেন্দ্রিক বাণিজ্যিক সম্ভাবনা ও বিনিয়োগের সুযোগ সৃষ্টি হবে বলে জানান মোংলা বন্দরের চেয়ারম্যান রিয়ার অ্যাডমিরাল আরিফ আহমেদ মোস্তফা। তিনি বলেন, মোংলা বন্দরের সক্ষমতা বৃদ্ধিতে কনটেইনার টার্মিনাল নির্মাণ করা হচ্ছে। এই বন্দর দিয়ে মালামাল পরিবহনের সুবিধার্থে মোংলায় অর্থনৈতিক অঞ্চলে ১০০ একর জমি উন্নয়নের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। পরবর্তী সময়ে আরও ২০০ একর জমির ওপর ইপিজেড করা হবে।
খুলনা জেলা বিএনপির সদস্যসচিব এস এম মনিরুল হাসান বাপ্পী বলেন, প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর খুলনায় প্রথম আসছেন তারেক রহমান। এ নিয়ে খুলনার মানুষের মধ্যে উৎসাহ-উদ্দীপনা বিরাজ করছে। এ সফরে প্রধানমন্ত্রী এই অঞ্চলের উন্নয়নের কী বার্তা দেবেন, মানুষ সে জন্য অপেক্ষা করছেন। প্রধানমন্ত্রীর এই সফরে মোংলা ইকোনমিক জোন, বন্দরকেন্দ্রিক বাণিজ্য বিনিয়োগ কর্মসংস্থান আরও গতিশীল হবে–এমনটাই সবাই প্রত্যাশা করছেন।
পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রী মোংলার আকরাম পয়েন্টে ভাসমান এলএনজি স্টেশন নির্মাণের সম্ভাব্যতা যাচাই করবেন বলে জানা গেছে।
