Published on
:
1 min read
এই সময়, খড়্গপুর: রাজ্যে সরকার পরিবর্তনের পরে যথেষ্ট জাঁকজমকের সঙ্গেই শতবর্ষ প্রাচীন দশেরা উৎসব পালিত হলো খড়্গপুরে। সঙ্গে নতুন সংযোজন হনুমান চালিশা পাঠ। যে অনুষ্ঠানকে ঘিরে খড়্গপুরের মানুষের দশেরা উৎসব নিয়ে উৎসাহ–উদ্দীপনা আরও বেড়ে গিয়েছিল।
বুধবার বিজয়া দশমীতেই ধুমধাম করে দশেরা উৎসব পালন করা হয়ে থাকে রেলশহরে। খড়্গপুর শহরের সেটলমেন্ট এলাকার যে মাঠে এই উৎসব পবালিত হয়, বর্তমানে সেটিকে রাবণ ময়দান বা রাবণপোড়ার মাঠ নামেই সকলে চেনেন। যার পিছনে রয়েছে উৎসবের প্রাচীনত্ব এবং ঐতিহ্য। এই দশেরা উৎসবের সূচনা হয়েছিল পরাধীন ভারতবর্ষে। তখনও ইংরেজ শাসন চলছে দেশে। এ বার উৎসবের বয়স হলো ১০২ বছর। তাই খড়্গপুরের বিধায়ক তথা রাজ্যের মন্ত্রী দিলীপ ঘোষ আগে থেকেই ঘোষণা করেছিলেন, এ বার ইতিহাস রচনা করবে এই উৎসব। কারণ, লক্ষ মানুষের জমায়েত হবে। হবে হনুমান চালিশা পাঠ। তারপর হবে রাবণ-বধ। সেই মতো বিভিন্ন এলাকা থেকে এ দিন সুসজ্জিত আখড়া যায় রাবণ ময়দানে। যেখানে দিলীপ ঘোষের পাশাপাশি উপস্থিত ছিলেন মেদিনীপুরের সাংসদ জুন মালিয়াও। গুণীজনদের সংবর্ধনাও দেওয়া হয়। তারপর হয় রাবণ দহন। যা দেখতে শুধু খড়্গপুর শহর নয়, আশপাশের এলাকা, জেলা থেকেও ভিড় জমিয়েছিলেন মানুষ। খড়্গপুর ছাড়াও বেলদা-সহ বিভিন্ন এলাকাতেই রাবণ দহন হয়েছে এ দিন।
পুলিশ জানিয়েছে, প্রতিটি জায়গাতেই দশেরা উৎসব পালিত হয়েছে শৃঙ্খলার সঙ্গে। আনন্দের সঙ্গে মানুষ তাতে অংশ নিয়েছিলেন। কোথাও কোনও অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি।
