সাইবার সুরক্ষা আইনসহ গণমাধ্যমসংশ্লিষ্ট অন্যান্য আইন সংশোধনের কাজ এগিয়ে চলছে বলে জানিয়েছেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী আন্দালিভ রহমান। তিনি বলেন, ‘সাইবার সিকিউরিটি থেকে শুরু করে অন্যান্য প্রয়োজনীয় আইন আমরা সংশোধন করার উদ্যোগ নিয়েছি। এই প্রক্রিয়া আরও কার্যকর ও যুগোপযোগী করতে স্টেকহোল্ডার, বিভিন্ন টিভি চ্যানেলের মালিক ও পত্রিকা সম্পাদকদের সঙ্গে বসে আলোচনা করা হচ্ছে।’ গতকাল বুধবার রাতে নিজ নির্বাচনি এলাকা ভোলা সদরের বিভিন্ন পূজাম-প পরিদর্শনকালে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন।
তথ্যমন্ত্রী বলেন, আমরা এমনভাবে একটি টেকসই নীতিমালা প্রণয়ন করতে চাইÑ যাতে গণমাধ্যমকর্মী, প্রশাসন এবং সাধারণ মানুষ সবাই সমানভাবে সুরক্ষা পান। আইন সংশোধনের এই কার্যক্রম চলমান রয়েছে। অচিরেই এ বিষয়ে আরও ইতিবাচক ও ফলপ্রসূ পরিবর্তন দেখতে পাওয়া যাবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।
ভোলা সদরের মোট ২৯টি ম-পে ২৯ লাখ টাকা ব্যক্তিগত অনুদান প্রদান করেন তথ্যমন্ত্রী। বুধবার রাতভর তিনি জেলা শহরের বিকাশ মজুমদারবাড়ির পূজাম-প, অনুজকাহালী লেনের পূজাম-প, মদনমোহন মন্দির, ওয়েস্টার্নপাড়ার শতদল বিকাশ ক্লাবসংলগ্ন পূজাম-প, মিহিরলাল সাহার বাড়ির পূজাম-প, লক্ষ্মী গোবিন্দ মন্দির, বাপ্তা মহাজনের পোল পূজাম-প, বাপ্তা শক্তি সংঘ পূজাম-প এবং সার্কুলার রোড পূজাম-পসহ মোট ৯টি মন্দির পরিদর্শন করেন। পরিদর্শনের সময় তথ্যমন্ত্রীর সঙ্গে বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির (বিজেপি) ও অঙ্গসংগঠনের স্থানীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
সার্বিক নিরাপত্তা বিষয়ে তথ্যমন্ত্রী আন্দালিভ রহমান বলেন, সনাতন ধর্মাবলম্বীরা এবার অত্যন্ত আনন্দের সঙ্গে ও সম্প্রীতিপূর্ণ পরিবেশে তাদের ধর্মীয় উৎসব পালন করছেন। হিন্দু, মুসলমানসহ দেশের সব নাগরিক এখন পর্যাপ্ত নিরাপত্তা পাচ্ছেনÑ এটি অত্যন্ত আনন্দের বিষয়। পূজা কমিটির নেতৃবৃন্দের বরাতে তিনি আরও জানান, এবার পূজা চলাকালে ভোলায় কোথাও কোনো নিরাপত্তার শঙ্কা বা অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি।
সম্প্রতি নেত্রকোনায় এক সাংবাদিক হত্যাকা-ের ঘটনা প্রসঙ্গে তথ্যমন্ত্রী বলেন, শুধু সাংবাদিক বা নির্দিষ্ট কোনো পেশাজীবী নয়Ñরাষ্ট্রীয় আইনের ব্যত্যয় ঘটিয়ে অপরাধমূলক ঘটনা ঘটলে তা প্রচলিত আইন অনুযায়ীই বিচার করা হবে।