দিনাজপুরের ফুলবাড়ীতে মায়ের মৃত্যুর শোক কাটিয়ে ওঠার আগেই মারা গেলেন বড় ছেলে। বুধবার (২১ অক্টোবর) রাত ১১টার দিকে ফুলবাড়ী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে মারা যান সৈয়দ মেজবাউর রশিদ সুমন (৫৫)। এর আগে একই দিন বেলা সাড়ে ১১টার দিকে তাঁর মা সৈয়দা মাজেদা খাতুন (৭৫) নিজ বাসভবনে মারা যান। মা ও ছেলের এমন আকস্মিক মৃত্যুতে পরিবার ও স্বজনদের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
মারা যাওয়া সৈয়দা মাজেদা খাতুন ফুলবাড়ী উপজেলার ঐতিহ্যবাহী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান জিএম পাইলট উচ্চবিদ্যালয়ের সাবেক ক্রীড়া শিক্ষক সৈয়দ আবুল মাহমুদ চাঁদের স্ত্রী। তাঁর ছেলে সৈয়দ মেজবাউর রশিদ সুমন ছিলেন পরিবারের বড় সন্তান।
পরিবারের সদস্যরা জানান, বুধবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে উপজেলার বারোকোনা গ্রামে নিজ বাসভবনে মারা যান সৈয়দা মাজেদা খাতুন। মায়ের মৃত্যুর পর শোকে কাতর হয়ে অসুস্থ হয়ে পড়েন ছেলে সুমন। পরে রাত ১১টার দিকে তাঁকে ফুলবাড়ী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।
বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) বেলা ১১টায় বারোকোনা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে মা ও ছেলের জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। পরে তাঁদের পাশাপাশি দাফন করা হয়।
এদিকে মা ও ছেলের এমন আকস্মিক মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান ও উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক অধ্যক্ষ খুরশিদ আলম মতি, সাবেক পৌর মেয়র মাহমুদ আলম লিটন, তেল-গ্যাস-খনিজ সম্পদ ও বিদ্যুৎ-বন্দর রক্ষা জাতীয় কমিটির ফুলবাড়ী শাখার আহ্বায়ক সৈয়দ সাইফুল ইসলাম জুয়েলসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও পেশাজীবী সংগঠনের নেতারা।
