সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে যুক্তরাষ্ট্রে হেনস্তার ঘটনায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান।
একই সঙ্গে বিষয়টি নিয়ে কিছু কিছু গণমাধ্যমের ফ্রেমিংয়ের বিষয়টিও তাদের নজরে রয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর এই উপদেষ্টা।
বিজ্ঞাপন
মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) সচিবালয়ে তথ্য অধিদপ্তরের (পিআইডি) সম্মেলন কক্ষে সরকারের বিভিন্ন কার্যক্রমের অগ্রগতি বিষয়ে আয়োজিত ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।
ড. ইউনূসের প্রশ্নটা যেহেতু চলে এসেছে, আমি শুধু একটা বিষয় একটু জানতে চাই, বাংলাদেশের কিছু গণমাধ্যম যখনই জুলাইয়ের সঙ্গে বা অন্তর্বর্তী সরকারের সঙ্গে যুক্ত কেউ হেনস্তার শিকার হন, তখন বাংলাদেশের কিছু গণমাধ্যম এমনভাবে নিউজ করে, যে মনে হয় যেন এটা তার প্রাপ্যই ছিল। এগুলো আপনি তথ্য ও মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে একজন উপদেষ্টা হিসেবে মনিটরিং করছেন কি না বা ওইসব গণমাধ্যম আপনাদের মানে দৃষ্টির মধ্যে আছে কি না?
বিজ্ঞাপন
এক সাংবাদিকের এই প্রশ্নের জবাবে তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা বলেন, ‘আমরা একটা কথা একটু মনে রাখবো সবসময়, এই আলাপটা আগেও হয়েছে। মানে কোনো আচরণ ক্রিমিন্যাল অফেন্স কি না, মানে এই যে কিছু মিডিয়ার ফ্রেমিংয়ের কথা বলছেন, কিছু মিডিয়ার এ ধরনের ফ্রেমিং আছে, এটা আমাদের নিশ্চয়ই চোখে আছে। এই মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বের একটা অংশ হচ্ছে জিনিসগুলো খেয়াল রাখা। মন্ত্রণালয় খেয়াল রাখে সে কী করবে, সেটা আবার আরেকটা ইস্যু। সেটাও খুব গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন। ড. ইউনূস যা করেছেন এই দেশে যেভাবে করেছেন, সেটার সমালোচনার কোন ঢংটা, কীভাবে তাকে ফ্রেমিং করাটা আমাদের আইনি চৌহদ্দীর মধ্যে থাকবে, সেই ব্যাপারটা নিশ্চয়ই মনিটরিং আছে।’
‘আবার একই সঙ্গে আমি এটাও বলতে চাই, প্রত্যেকটা ঘটনাকে সে তার তার দৃষ্টিকোণ থেকে ব্যাখ্যা করার স্কোপ আসলে তার থাকে। এটা একেবারে আমরা উড়িয়ে দিতে পারি না, তারা করে। আমি এটুকুই বলতে চাই, সেটা হচ্ছে মিডিয়ার ক্ষেত্রে বা অন্যান্য জায়গায়, যে কেউ যেভাবে দেখুক না কেন, তিনি যদি খুব উদ্ভট কোনো কিছু ইন্টারপ্রেট করার চেষ্টা করেন, ফ্রেমিংয়ের চেষ্টা করেন, সেটা আল্টিমেটলি আসলে প্রত্যাখ্যাত হয় এবং ফ্রেমিং আমি মনে করি যে এটা করে যে খুব বেশি লাভ হয়, আমার কাছে মনে হয় না।’ যোগ করেন তিনি।
ডা. জাহেদ উর রহমান বলেন, ‘আবার একই সঙ্গে বলেও রাখি, প্রত্যেকে কোনো কোনো ক্ষেত্রে যদি তার (গণমাধ্যম) আইনি সীমা লঙ্ঘন করেন, তাতে যিনি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন, তিনি চাইলে কিন্তু সেটার ব্যাপারে আইনগত ব্যবস্থা নিতে পারে, সেটা তো রাষ্ট্রের বিচার বিভাগ আছেই।’
আরএমএম/ইএ
ফলো করুন
পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন jagofeature@gmail.com ঠিকানায়।
