শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে দিনাজপুরের ফুলবাড়ী ব্যাটালিয়ন (২৯ বিজিবি) ১০ প্লাটুন বিজিবি সদস্য মোতায়েন করেছে।
১৬ থেকে ২২ অক্টোবর পর্যন্ত তাঁরা পূজামণ্ডপের নিরাপত্তা, নিয়মিত টহল ও জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলায় দায়িত্ব পালন করবেন। এ ছাড়া ৫৫টি পূজামণ্ডপের নিরাপত্তায় নয়টি বেইজ ক্যাম্প স্থাপন করেছে বিজিবি।
শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) ফুলবাড়ী ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক মোহাম্মদ আরিফ-উজ-জামান, পিএসসি, রাঙ্গামাটি গোল্লা কালী দুর্গামন্দির ও সমশেরনগর বলিহাড়পুর দুর্গামন্দির পরিদর্শন করেন। এ সময় তিনি দুর্গাপূজাকে কেন্দ্র করে নিরাপত্তাব্যবস্থার বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন।
২৯ বিজিবির অধিনায়ক বলেন, নিরাপত্তা পরিকল্পনার আওতায় সীমান্তের আট কিলোমিটারের মধ্যে অবস্থিত ৫১টি এবং ব্যাটালিয়ন সদর দপ্তরের তিন কিলোমিটারের মধ্যে অবস্থিত চারটি পূজামণ্ডপকে নিরাপত্তার আওতায় আনা হয়েছে। এসব মণ্ডপের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নিয়মিত টহল ও গোয়েন্দা নজরদারি চালানো হবে।
তিনি আরও বলেন, স্থানীয় প্রশাসন, পুলিশ ও পূজা উদ্যাপন কমিটির সঙ্গে সমন্বয় করে নিরাপত্তা কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে। গুজব, অপতথ্য ও সাম্প্রদায়িক উসকানির বিষয়ে সতর্ক নজরদারি রাখা হবে। পাশাপাশি যেকোনো অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতিতে দ্রুত সাড়া দিতে প্রস্তুত থাকবেন বিজিবি সদস্যরা।
বিজিবির পক্ষ থেকে জনগণকে গুজবে কান না দেওয়া, যাচাই না করে কোনো তথ্য প্রচার না করা এবং সন্দেহজনক কিছু চোখে পড়লে নিকটস্থ বিজিবি ক্যাম্প বা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে জানানোর আহ্বান জানান তিনি।
তিনি বলেন, সনাতন ধর্মাবলম্বীরা যাতে নিরাপদ ও উৎসবমুখর পরিবেশে দুর্গাপূজা উদ্যাপন করতে পারেন, সে লক্ষ্যে বিজিবি সর্বাত্মক প্রস্তুতি নিয়েছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পাশাপাশি সাধারণ মানুষের সচেতনতা ও সহযোগিতায় শান্তিপূর্ণভাবে দুর্গাপূজা উদ্যাপন সম্ভব হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
এ সময় ফুলবাড়ী ২৯ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক মোহাম্মদ আরিফ-উজ-জামান, পিএসসির সঙ্গে বিজিবির পদস্থ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
