গাইবান্ধা জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মাহমুদুন্নবী টিটুলের বিতর্কিত কর্মকাণ্ডে দলের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হওয়ার অভিযোগে কারণ দর্শানোসহ সাংগঠনিক ব্যবস্থা নিতে জেলা বিএনপির সভাপতিকে চিঠি দিয়েছেন সংরক্ষিত মহিলা আসনের সংসদ সদস্য মমতাজ আলো। এ ঘটনায় জেলায় রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়েছে।
বিজ্ঞাপন
গাইবান্ধায় সংরক্ষিত মহিলা আসনের সংসদ সদস্য মমতাজ আলোকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানিয়েছেন ফুলছড়ি উপজেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক ও কঞ্চিপাড়া ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ এটিএম রাশেদুজ্জামান রোকন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে এ ঘটনার ছবি ও ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার পর বিষয়টি নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়।
ফুলেল শুভেচ্ছা জানানোর সময় উপস্থিত ছিলেন গাইবান্ধা জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মাহমুদুন্নবী টিটুল। এ ঘটনায় বিএনপির তৃণমূল পর্যায়ের নেতাকর্মীদের একাংশ অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন। তাঁদের অভিযোগ, আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে বিএনপি নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন মামলা ও রাজনৈতিক হয়রানির অভিযোগ থাকা সত্ত্বেও সংশ্লিষ্ট যুবলীগ নেতাকে সংসদ সদস্যের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেওয়া হয়েছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন নেতাকর্মী অভিযোগ করেন, ব্যক্তিস্বার্থ হাসিলের উদ্দেশ্যে কিছু নেতা সবকিছু জানা সত্ত্বেও ওই যুবলীগ নেতাকে গাইবান্ধা জেলার দায়িত্বপ্রাপ্ত সংরক্ষিত মহিলা আসনের সংসদ সদস্যের কাছে নিয়ে যান এবং তাঁর সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দিয়ে ফুলেল শুভেচ্ছা জানান। এ ঘটনায় দলের তৃণমূলের নেতাকর্মীদের মধ্যে অসন্তোষ তৈরি হয়েছে বলে দাবি তাঁদের।
ঘটনাটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর এক ভিডিও বার্তায় সংসদ সদস্য মমতাজ আলোকে এ বিষয়ে বক্তব্য দিতে দেখা যায়। এ বিষয়ে মুঠোফোনে জানতে চাইলে সংসদ সদস্য মমতাজ আলো বলেন, “স্থানীয় বিএনপির লোকজন আমাকে বিষয়টি জানায়নি। আমি তো গাইবান্ধার কাউকে চিনি না। এর দায়িত্ব জেলা বিএনপির লোকজনকে নিতে হবে। এ বিষয়ে আমি জেলা বিএনপিকে আজকেই একটি চিঠি দিচ্ছি।”
এ ব্যাপারে আমারদেশ অনলাইন পত্রিকায় আজ একটি সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে।
গাইবান্ধা জেলা বিএনপির সভাপতি ডা. ময়নুল হাসান সাদিক আজ সন্ধ্যায় সংরক্ষিত মহিলা আসনের সংসদ সদস্য মমতাজ আলোর পাঠানো চিঠি পাওয়ার কথা আমারদেশকে জানান।
এ বিষয়ে গাইবান্ধা জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মাহমুদুন্নবী টিটুল বলেন, জেলা সভাপতিকে চিঠি পাঠানোর কথা শুনেছেন। তবে তিনি এখনো কোনো চিঠি পাননি।
