বিহারে নৌকোডুবি (প্রতীকী ছবি)ছবি: X
Published on
:
2 min read
গঙ্গায় নৌকো উল্টে গিয়ে অন্তত ১১ জনের মৃত্যু হয়েছে। মঙ্গলবার রাতে বিহারের হাজিপুরের রাঘোপুর এলাকার ঘটনা। পুলিশ জানিয়েছে, একটি নিমন্ত্রণ বাড়িতে যাচ্ছিলেন যাত্রীরা। মাঝগঙ্গায় আচমকাই নৌকো উল্টে যায়। এখনও পর্যন্ত পাঁচ জনকে জীবিত উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে। বাকিদের খোঁজে তল্লাশি চলছে। তবে কী ভাবে দুর্ঘটনা ঘটল তা এখনও জানা যায়নি।
পুলিশ ও স্থানীয় বাসিন্দাদের সূত্রে জানা গিয়েছে, নৌকোয় প্রায় ১৫ থেকে ২০ জন যাত্রী ছিলেন। প্রত্যেকেই পাশের গ্রামে একটি নিমন্ত্রণ বাড়িতে যাচ্ছিলেন তাঁরা। রামপুর শ্যামচন্দ গ্রামের কাছে আচমকাই নৌকোটি উল্টে যায়। তলিয়ে যান যাত্রীরা। চিৎকার চেঁচামেচি শুরু হয়ে যায়। ছুটে আসেন স্থানীয় বাসিন্দারা। তাঁরাই উদ্ধারকাজ শুরু করেন। উপস্থিত হয় রাঘোপুর থানার পুলিশও।
কিছুক্ষণের মধ্যে ঘটনাস্থলে আসে উদ্ধারকারী দল। গঙ্গায় ডুবুরি নামিয়ে শুরু হয় তল্লাশি। তার পরেই একের পর এক মৃতদেহ উঠতে শুরু করে। প্রথমে ৮ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে প্রাথমিক ভাবে জানা গিয়েছিল। পরে বৈশালীর জেলাশাসক বর্ষা সিং বলেন, ‘নৌকাডুবিতে এখনও পর্যন্ত ১১ জনের মৃত্যু হয়েছে। জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে পাঁচ জনকে।’ বাকিদের খোঁজে তল্লাশি চলছে বলে জানিয়েছেন তিনি।
আহতদের উদ্ধার করে স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়েছে। তাঁদের শারীরিক অবস্থা সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য এখনও সামনে আসেনি। জানা যায়নি মৃত ও আহতদের নাম-পরিচয়ও। কী ভাবে দুর্ঘটনা ঘটল তা-ও অজানা। নৌকাটিতে ঠিক কত জন যাত্রী ছিলেন, তাঁদের মধ্যে কত জনকে নিরাপদে উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে এবং এখনও কতজন নিখোঁজ তা-ও স্পষ্ট নয়।
গোটা ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। কী ভাবে গঙ্গার বুকে নৌকোটি উল্টে গেল, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ জানতে প্রত্যক্ষদর্শীদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। উদ্ধারকাজ এবং তদন্তের অগ্রগতির উপরে নজর রাখছে প্রশাসন। দুর্ঘটনায় মৃত ও আহতদের পরিচয় নিশ্চিত করার পাশাপাশি, ঘটনার পূর্ণাঙ্গ বিবরণ জানার চেষ্টা করছেন আধিকারিকরা। তদন্ত শেষ হলেই নৌকোডুবির প্রকৃত কারণ স্পষ্ট হবে বলে মনে করা হচ্ছে।
