অবসর নিলেন মোহনবাগানকে ISL জেতানো স্ট্রাইকার আর্মান্দো সাদিকুছবি: সংগৃহীত
Published on
:
2 min read
শেষ কয়েক বছরে মোহনবাগানে খেলে যাওয়া স্ট্রাইকারদের মধ্যে অন্যতম ছিলেন আর্মান্দো সাদিকু। ২০২৩-২৪ মরশুমে সবুজ-মেরুন ব্রিগেডের ডুরান্ড কাপ এবং ISL শিল্ড জয়ের নেপথ্যে বড় ভূমিকা ছিল তাঁর। এ বার বুটজোড়া তুলে রাখার সিদ্ধান্ত নিলেন সেই সাদিকু। ৩৫ বছর বয়সেই পেশাদার ফুটবল থেকে অবসরের ঘোষণা করলেন আলবানিয়ার জাতীয় দলে খেলা এই ফুটবলার। বৃহস্পতিবার নিজের সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টে এ কথা জানিয়েছেন সাদিকু নিজেই। তাঁকে শুভেচ্ছা জানিয়েছে মোহনবাগানও। কেন এই সিদ্ধান্ত নিলেন তিনি?
অবসর নিলেন আর্মান্দো সাদিকু
নিজের ইন্সটাগ্রাম হ্যান্ডলে একটি ভিডিয়ো পোস্ট করেছেন সাদিকু। সেখানে ছোটবেলায় যাত্রা শুরু থেকে তাঁর পেশাদার ফুটবল কেরিয়ারের আলাদা আলাদা ক্লাবের হয়ে খেলার বিভিন্ন মুহূর্তও তুলে ধরা হয়েছে। এই ভিডিয়োর ক্যাপশনেই সাদিকু লিখেছেন, ‘ধন্যবাদ ফুটবল। তোমাকে খুব মিস করব।’ ভারতে আসার আগে বিদেশের একাধিক শীর্ষস্তরের ক্লাবে খেলার অভিজ্ঞতা ছিল সাদিকুর। স্পেনে লা লিগার একাধিক পরিচিত ক্লাবে খেলেছেন তিনি। তালিকায় রয়েছে লাস পামাস, লেভান্তে ও মালাগার মতো দল।
সুইৎজারল্যান্ডের এফসি জুরিখ ও এফসি লুগানোর জার্সিতেও দেখা গিয়েছে সাদিকুকে। পোল্যান্ডের লেগিয়া ওয়ারশ-এর হয়ে উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগের যোগ্যতা অর্জন পর্বেও খেলেছেন তিনি। এই দলের হয়েই গোল করেন ইউরোপা লিগে। তবে সাদিকুর কেরিয়ারের সবচেয়ে স্মরণীয় মুহূর্ত ২০১৬ সালের ইউরো। এই টুর্নামেন্টে রোমানিয়ার বিরুদ্ধে তাঁর গোলেই ঐতিহাসিক জয় পেয়েছিল আলবানিয়া। জাতীয় দলের হয়ে ৩৯ ম্যাচে ১২ গোল রয়েছে সাদিকুর। দলের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ফুটবলার হয়ে উঠেছিলেন তিনি।
মোহনবাগানে সাদিকুর পরিসংখ্যান
২০২৩-২৪ মরশুমে মোহনবাগানে খেলেছিলেন সাদিকু। ২২ ম্যাচে ৮ গোল রয়েছে তাঁর। ওই বছরই ডুরান্ড কাপ ও ISL শিল্ড জিতেছিল মোহনবাগান। তাই সাদিকুর অবসরের পরে শুভেচ্ছা জানিয়েছে মোহনবাগান। সোশাল মিডিয়ায় তারা লিখেছে, ‘সব স্মৃতির জন্য ধন্যবাদ, সাদিকু। ভবিষ্যতের জন্য শুভকামনা রইল।’
নতুন ভূমিকায় দেখা যাবে সাদিকুকে
অবসর নিলেও ফুটবল থেকে একেবারে সরে যাচ্ছেন না সাদিকু। আলবানিয়ার এই স্ট্রাইকার এ বার নতুন ইনিংস শুরু করতে চলেছেন সুইস ক্লাব বেলিনজোনার স্পোর্টস ডিরেক্টর হিসাবে। তবে এই ক্লাব সাদিকুর কাছে নতুন নয়। ২০২৬ সালে এই দলের হয়েই ২৭টি ম্যাচ খেলেছেন তিনি। সেই দলের হয়ে প্রশাসনিক ভূমিকায় কতটা সফল হন তিনি, সেটাই দেখার।
