অক্টোবর ২৫, ২০২৬ ১০:২৯ পূর্বাহ্ণ
নগরীর দৌলতপুর, খানজাহান আলী এবং আড়ংঘাটা থানার সংযোগস্থল খানাবাড়ি এলাকা। দুর্বল পুলিশিং ব্যবস্থার কারণে এলাকাটিতে দীর্ঘদিন ধরে নানাবিধ অপরাধ সংগঠিত হয়ে আসছে। সম্প্রতি এলাকায় চুরির মহোৎসব শুরু হয়েছে। প্রতিরাতে কোথাও না কোথাও চুরি সংঘটিত হচ্ছে। বিদ্যুৎ মিটারের সার্ভিস তার থেকে শুরু করে পানির মোটর, গ্যাসের সিলিন্ডার, চুলা, মোবাইলসহ বসতবাড়ির নিত্য ব্যবহার্য মূল্যবান জিনিসপত্র চুরি হচ্ছে। রাত হলেই ভয় এবং আতঙ্ক বেড়ে যায় এলাকাবাসীর। আড়ংঘাটা থানার খানাবাড়ি এলাকায় সম্প্রতি ১শ মিটারের মধ্যে ৭/৮টি চুরির ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়েছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রতিনিয়ত এলাকায় চুরির ঘটনা ঘটলেও নিয়ন্ত্রণে দৃশ্যমান পুলিশি তৎপরতা নেই। সম্প্রতি খানাবাড়ি শাহী জামে মসজিদের দক্ষিণ পাশে কুয়েটের অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জয়নাল আবেদিনের বাসায় চুরির ঘটনা ঘটে। চোর বাসার গ্রিল কেটে বাড়ির দোতলায় দুটি কক্ষের মালামাল চুরি করে নির্বিঘ্নে পালিয়ে যায়। পরিবারটি আর্থিক ক্ষতির পাশাপাশি নিরাত্তাহীন হয়ে পড়েছে। এর আগে প্রতিবেশী নাসির উদ্দিনের বাড়ির বিদ্যুতের সার্ভিস তার চুরি হয়।
১৬ অক্টোবর শামসুল হকের বাড়ির ভাড়াটিয়া ওভিদের বারান্দার গ্রিল কেটে তিনটি দামি মোবাইল, ইলেকট্রিক চুলাসহ বিভিন্ন মালামাল চুরি হয়। এই ঘটনার একদিন পর যুবদল নেতা আলামিন হাওলাদারের বাসার পাশে চোরের অবস্থা টের পেয়ে বাড়ির লোকজন তাড়া করে। ২৩ অক্টোবর পাশের সুলতান সরদারের বাসায় চোরের উপস্থিতি টের পেয়ে ধাওয়া করলে পালিয়ে যায়। একই রাতে সুলতান সরদারের বাড়ির সামনে অবস্থিত কুয়েটের অধ্যাপক ড. মোঃ সাইফুল ইসলামের বাসার বিদ্যুতের সার্ভিস তার চুরি হয়। ৫ অক্টোবর রাতে দৌলতপুর থানাধীন মহেশ্বরপাশা খানাবাড়ি গোলাম মোস্তফার বাড়ির ৬টি মিটারের সার্ভিস তার চুরি হয়।
যোগীপোল ইউনিয়ন বিএনপি’র সাংগঠনিক সম্পাদক ও স্থানীয় ইউপি সদস্য মোঃ মামুন শেখ বলেন, চুরি প্রতিরোধে এলাকার লোকজন নিয়ে আমরা মিটিংয়ে বসেছি। কীভাবে প্রতিরোধ করা যায় বিষয়টি নিয়ে আমরা আলোচনা করছি।
আড়ংঘাটা থানা অফিসার ইনচার্জ মোঃ হালিমুর রহমান বলেন, ওই এলাকাটা তিন থানার বর্ডার। দৌলতপুর থানার অংশ বেশি। কুয়েট পকেট গেটের এলাকাটা আমাদের ভিতর। রাতে টহল গাড়ি একটা থাকে। আজ থেকে টহল পার্টিকে বলে দিব রাতে ওই এলাকার সব জায়গায় ভালো করে টহল দিতে।
খুলনা গেজেট/এনএম
