- Anandabazar
- Ananda Utsav
- Fashion Tips
- How to Choose the Right Kurti for Your Body Shape This Durga Puja dgtl
পেটের মেদ ঢাকতে গাঢ় রঙই ভরসা? কুর্তি কেনার আগে মাথায় রাখুন বিশেষ কৌশল
শরীরের মাপ যেমনই হোক, প্রয়োজন সঠিক কাপড়, কুর্তির ধরন এবং সঠিক নকশা বেছে নেওয়া। পেটের কাছে মেদ বেশি? পুজোর আগে শেষ মুহূর্তে কুর্তি কেনার পরিকল্পনা থাকলে মাথায় রাখুন এই বিষয়গুলি।
আনন্দ উৎসব ডেস্ক
শেষ আপডেট: ১২ অক্টোবর ২০২৬ ১৯:৩৬
কলেজ, অফিস থেকে শুরু করে পুজোর সকালের আড্ডা, সব সাজের সঙ্গেই মানানসই কুর্তি চাই। কিন্তু সমস্যা হল, এটি খুব ঢিলাঢালা হলে চেহেরা ভারী দেখায় আবার খুব বেশি আঁটসাঁট হলেও মুশকিল। বিশেষ করে পেটের কাছে মেদ সামান্য বেশি হলে মোটেই দৃষ্টিনন্দন লাগে না।
০২ / ১৫
শরীরের মাপ যেমনই হোক, প্রয়োজন সঠিক কাপড়, কুর্তির ধরন এবং সঠিক নকশা বেছে নেওয়া। পেটের কাছে মেদ বেশি? পুজোর আগে শেষ মুহূর্তে কুর্তি কেনার পরিকল্পনা থাকলে মাথায় রাখুন এই বিষয়গুলি।
০৩ / ১৫
গায়ের সঙ্গে আঁটসাঁট হয়ে থাকে, এমন কুর্তি এড়িয়ে চলুন। পেটের কাছের অংশটি যদি ত্বকের সঙ্গে খুব আষ্টেপৃষ্ঠে জড়িয়ে থাকে, তা হলে হাঁটতে এবং বসতে অস্বস্তি তো হবেই।
০৪ / ১৫
অন্য দিকে কাপড়ের টান পড়লে পেটের অংশটিকে আরও বেশি নজরে পড়বে সকলের। কাজেই কুর্তি কেনার সময়ে আগে গলিয়ে দেখে নিন আপনার চেহারার সঙ্গে সেটি সঠিক ফিট কি না।
০৫ / ১৫
মেদ ঢাকতে বেশি ঢিলাঢালা কুর্তি বেছে নিলে চেহারার সঠিক গঠনও ঢেকে যাবে। কুর্তি এমন হবে যা শরীরের সঙ্গে সুন্দরভাবে জড়িয়ে থাকবে, আবার পেট এবং কোমরের কাছেও আটকে থাকবে না।
০৬ / ১৫
পেটের অংশ নিয়ে যদি অস্বস্তি থাকে, তা হলে একেবারে লম্বা কাটের কুর্তির পরিবর্তে ‘এ-লাইন’ বা হালকা ফ্লেয়ারড কাট বেছে নিতে পারেন।
০৭ / ১৫
‘এ-লাইন’ কুর্তির সঙ্গে সিগারেট প্যান্ট বা সোজা কাটের পালাজ়ো পরলে বেশ পরিপাটি একটি লুক পাওয়া যাবে।
০৮ / ১৫
কেবল কুর্তির কাটই নয়, গুরুত্বপূর্ণ কাপড়ের ধরনও। খুব বেশি হালকা কাপড় পেটের অংশের মেদকে নজরকাড়া করে তুলতে পারে।
০৯ / ১৫
আবার খুব বেশি মোটা কাপড় চেহারায় অরিতিক্ত ভারীত্ব নিয়ে আনতে পারে। পুজোর সাজে তা মানানসই না-ও হতে পারে।
১০ / ১৫
কুর্তি পছন্দ হলে আগে তা পরে কিছুক্ষণ হাঁটাচলা করে নিন। খানিক সময়ের জন্য বসেও দেখে নিন।
১১ / ১৫
দোকানের আলোয় কাপড়ের স্বচ্ছতা, ভাঁজ পড়ার ধরন, সবটাই নজরে আসবে।
১২ / ১৫
নকশা বাছাইয়ের ক্ষেত্রেও সতর্ক হন। পেটের ঠিক মাঝবরাবর খুব বড় প্রিন্ট এড়িয়ে চলাই শ্রেয়। এমন কোনও নকশা বেছে নেবেন না, যা পেটের কাছে অতিরিক্ত নজর টানে। পরিবর্তে অতি সূক্ষ্ম প্রিন্ট বা লম্বালম্বি কোনও নকশার কুর্তি রাখতে পারেন সংগ্রহে।
১৩ / ১৫
নেকলাইনের নকশাও বদলে দিতে পারে গোটা লুক। ‘ভি-নেক’, ‘সুইটহার্ট’ কাটের গলায়, চেহারা তুলনায় লম্বা এবং ছিপছিপে দেখায়।
১৪ / ১৫
কুর্তির দৈর্ঘ্যের ভূমিকাও এই ক্ষেত্রে বেশ গুরুত্বপূর্ণ। সাধারণত হাঁটুর কাছাকাছি বা তার চেয়ে সামান্য লম্বা কুর্তি বেশ মানানসই হতে পারে। তবে এই সঠিক দৈর্ঘ্য নির্ভর করছে উচ্চতা, কুর্তির নকশা এবং সঙ্গে প্যান্ট কী পরছেন, তার উপরে।
১৫ / ১৫
রং নিয়ে বিশেষ ভাবার দরকার নেই। মেদ ঢাকতে কেবল কালো বা গাঢ় রঙের কুর্তি বেছে নিতে হবে, এমন কোনও মানে নেই। নীল, সবুজ বা জনপ্রিয় প্যাস্টেল রংও বেছে নিতে পারেন স্বচ্ছন্দে। (এই প্রতিবেদনটি ‘আনন্দ উৎসব’ ফিচারের একটি অংশ।)
পরবর্তী গ্যালারি
পুজোর রাত, একের পর এক সুখটান! অজান্তেই শরীরের কতটা সর্বনাশ করছেন জানেন?
বন্ধুদের সঙ্গে মণ্ডপে মণ্ডপে ঘোরা, পাড়ার প্যান্ডেলে আড্ডা, রাত জাগা, হেঁটে ঠাকুর দেখা—আর তার সঙ্গেই একের পর এক সিগারেট। দু’পা হাঁটতেই একটা শেষ, তার পরেই আর একটিতে সুখটান! কিন্তু উৎসবের আনন্দে এ ভাবে লাগামছাড়া ধূমপান করলে শরীরের কতটা ক্ষতি হতে পারে, ভেবে দেখেছেন?
আনন্দ উৎসব ডেস্ক
শেষ আপডেট: ১২ অক্টোবর ২০২৬ ১৮:২৯
০১ / ১৫
হৃদ্যন্ত্রের উপর চাপ: দীর্ঘক্ষণ হাঁটাহাঁটির পর ধূমপান করলে নিকোটিনের প্রভাবে হৃদ্স্পন্দন ও রক্তচাপ বেড়ে যেতে পারে। পুজোর পরিশ্রমের সঙ্গে এই প্রভাব যুক্ত হয়ে হৃদ্যন্ত্রের উপর বাড়তি চাপ তৈরি করে।
০২ / ১৫
বাড়তে পারে হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি: ধূমপান রক্তনালির ক্ষতি করে এবং রক্ত জমাট বাঁধার প্রবণতা বাড়ায়। এর ফলে হৃদ্যন্ত্রে রক্ত চলাচল ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা থাকে। দীর্ঘদিন ধূমপান করলে হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকিও বাড়ে।
০৩ / ১৫
শ্বাসকষ্টে ভোগান্তি: মণ্ডপে মণ্ডপে ঘোরা কিংবা সিঁড়ি দিয়ে ওঠানামার সময়ে হাঁপিয়ে যেতে পারেন। ধূমপান শ্বাসনালিতে প্রদাহ সৃষ্টি করে এবং ফুসফুসের কার্যক্ষমতা কমাতে পারে। ফলে শারীরিক পরিশ্রমের সময়ে শ্বাস নিতে কষ্ট হতে পারে।
০৪ / ১৫
রক্তে অক্সিজেনের ঘাটতি: সিগারেটের ধোঁয়ায় থাকা কার্বন মনোক্সাইড রক্তের অক্সিজেন বহন করার ক্ষমতা কমিয়ে দেয়। ফলে হাঁটাহাঁটির সময়ে পেশিতে পর্যাপ্ত অক্সিজেন পৌঁছতে সমস্যা হতে পারে। দেখা দিতে পারে দুর্বলতা বা মাথা ঘোরার মতো উপসর্গ।
০৫ / ১৫
ক্লান্তি ও দুর্বলতা: কম ঘুম, দীর্ঘক্ষণ হাঁটা এবং ধূমপানের সম্মিলিত প্রভাবে শরীর অবসন্ন হয়ে পড়তে পারে। মাথা ঝিমঝিম করা বা মনোযোগ ধরে রাখতেও সমস্যা হতে পারে। ফলে পুজো ঘোরার আনন্দই মাটি হতে পারে।
০৬ / ১৫
মাথাব্যথা ও মাথা ঘোরা: নিকোটিন ও সিগারেটের ধোঁয়ার বিষাক্ত উপাদান মাথাব্যথা, মাথা ঘোরা কিংবা বমি বমি ভাবের কারণ হতে পারে। ক্লান্ত অবস্থায় এমন উপসর্গ দেখা দিলে তা উপেক্ষা করবেন না।
০৭ / ১৫
ঘুমের ব্যাঘাত: নিকোটিন একটি উদ্দীপক পদার্থ। রাতে বা ঘুমোতে যাওয়ার আগে সিগারেট খেলে ঘুম আসতে দেরি হতে পারে, কমতে পারে ঘুমের মানও। তার সঙ্গে রাত জাগা যোগ হলে পরের দিন ক্লান্তি আরও বাড়বে।
০৮ / ১৫
দীর্ঘমেয়াদে ফুসফুসের ক্ষতি: নিয়মিত ধূমপান ক্রনিক ব্রঙ্কাইটিস ও সিওপিডি-র মতো দীর্ঘস্থায়ী ফুসফুসের রোগের ঝুঁকি বাড়ায়। সময়ের সঙ্গে শ্বাসকষ্ট বাড়তে পারে, কঠিন হয়ে উঠতে পারে স্বাভাবিক হাঁটাচলাও। তাই উৎসবের অছিলায় ধূমপানের অভ্যাস বাড়ানো ঠিক নয়।
০৯ / ১৫
ফুসফুসের ক্যানসারের ঝুঁকি: সিগারেটের ধোঁয়ায় থাকা ক্যানসার সৃষ্টিকারী রাসায়নিক ফুসফুসের কোষের ক্ষতি করে। দীর্ঘদিন ধূমপান করলে ফুসফুসের ক্যানসারের আশঙ্কা উল্লেখযোগ্য ভাবে বেড়ে যায়।
১০ / ১৫
স্ট্রোকের আশঙ্কা: ধূমপান রক্তনালির ক্ষতি করে এবং রক্ত জমাট বাঁধার ঝুঁকি বাড়ায়। এর ফলে মস্তিষ্কে রক্ত সরবরাহ বন্ধ হয়ে যাওয়া বা রক্তনালি ফেটে যাওয়ার আশঙ্কা বাড়তে পারে। ধূমপান ছেড়ে দেওয়া স্ট্রোকের ঝুঁকি কমানোর গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।
১১ / ১৫
রোগ প্রতিরোধক্ষমতায় প্রভাব: ধূমপান শরীরের রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থার স্বাভাবিক কার্যকারিতায় ব্যাঘাত ঘটাতে পারে। ফলে বিভিন্ন সংক্রমণ ও অসুস্থতার ঝুঁকি বাড়তে পারে।
১২ / ১৫
কাশি ও গলায় অস্বস্তি: সিগারেটের ধোঁয়ায় গলা ও শ্বাসনালিতে জ্বালা হতে পারে। বারবার কাশি, কফ জমা কিংবা গলা খুসখুস করার মতো সমস্যাও দেখা দিতে পারে। মণ্ডপে ঘোরার সময়ে এই অস্বস্তি বিরক্তির কারণ হয়ে উঠতে পারে।
১৩ / ১৫
অম্বল ও বুকজ্বালা: অতিরিক্ত ধূমপানের সঙ্গে অম্বল, বুকজ্বালা ও অন্য পাচনজনিত সমস্যার যোগ থাকতে পারে। পুজোয় অনিয়মিত খাওয়াদাওয়ার কারণে অস্বস্তি আরও বাড়তে পারে।
১৪ / ১৫
দুর্ঘটনার আশঙ্কা: কম ঘুমে মনোযোগ কমে যায়। তার সঙ্গে মাথা ঘোরা বা দুর্বলতা থাকলে ভিড়ের মধ্যে চলাফেরা কিংবা রাস্তা পারাপারের সময়ে দুর্ঘটনার ঝুঁকি বাড়তে পারে। তাই পুজোর রাস্তায় সতর্ক থাকা জরুরি।
১৫ / ১৫
আনন্দের সঙ্গে আপস নয়: উৎসবের সময়ে শরীরের উপর বাড়তি চাপ না ফেলাই ভাল। ধূমপান এড়িয়ে চলুন, পর্যাপ্ত বিশ্রাম নিন এবং শরীর খারাপ লাগলে উপসর্গ উপেক্ষা করবেন না। বুকব্যথা, তীব্র শ্বাসকষ্ট বা হঠাৎ দুর্বলতা দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসার সাহায্য নিন। এই প্রতিবেদনটি ‘আনন্দ উৎসব’ ফিচারের একটি অংশ।
