ঢাকা অফিস।।
ফুডপ্যান্ডার ব্যবস্থাপনা পরিচালক সৈয়দা আমবারীন রেজাসহ পাঁচ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাৎ, জালিয়াতি ও প্রতারণার অভিযোগে করা দুটি মামলার বিচারিক কার্যক্রম তিন মাসের জন্য স্থগিত করেছেন হাইকোর্ট। একই সঙ্গে মামলা দুটি কেন বাতিল করা হবে না, তা জানতে চেয়ে সংশ্লিষ্টদের প্রতি রুল জারি করেছেন আদালত।
নিম্ন আদালতে করা মামলা দুটি বাতিল চেয়ে আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বিচারপতি রাজিক-আল-জলিল ও বিচারপতি মো. আশিফ হাসানের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ গত ১৮ অক্টোবর এ আদেশ দেন।
অন্য চার আসামি হলেন- ফুডপ্যান্ডা বাংলাদেশের সহপ্রতিষ্ঠাতা ও পরিচালক জুবায়ের সিদ্দিকী, পান্ডামার্টের পরিচালক মো. তাবরেজ খান, হেড অব ক্যাটাগরি দিলারা ফারুক এবং সিনিয়র ম্যানেজার মোহাম্মদ সাজেদুল হক।
হাইকোর্টে আবেদনকারীদের পক্ষে শুনানি করেন সুপ্রিম কোর্টের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী ব্যারিস্টার এ এম মাহবুব উদ্দিন খোকন। তিনি সমকালকে বলেন, অভিযোগ থাকলে বাদী দেওয়ানি মামলা করতে পারেন। এ ক্ষেত্রে ফৌজদারি মামলা চলতে পারে না।
আসামিপক্ষের আইনজীবী ব্যারিস্টার কাজী এরশাদুল আলম বুধবার সমকালকে বলেন, হাইকোর্টের আদেশের ফলে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত নিম্ন আদালতে চলমান মামলা দুটির বিচারিক কার্যক্রম স্থগিত থাকবে।
তিনি জানান, গত ২৩ সেপ্টেম্বর ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত এ দুই মামলায় সৈয়দা আমবারীন রেজাসহ পাঁচ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন। পরে তারা হাইকোর্ট থেকে আগাম জামিন নেন এবং ঢাকার বিচারিক আদালতে হাজির হয়ে নিয়মিত জামিনও পান। পরে গত রোববার এই দুটি মামলার বিচার কার্যক্রম তিন মাসের জন্য স্থগিত ঘোষণা করেন হাইকোর্ট।
মামলার বিবরণ অনুযায়ী, ফুডপ্যান্ডা বাংলাদেশের সঙ্গে লেনদেনসংক্রান্ত বিরোধের জেরে প্রায় ৩ কোটি ৮০ লাখ টাকা আত্মসাৎ, প্রতারণা ও ভয়ভীতি দেখানোর অভিযোগে ঢাকার আদালতে পৃথক দুটি মামলা করেন আইপিইএল ডিস্ট্রিবিউশন নেটওয়ার্কের স্বত্বাধিকারী শিহাব মাহমুদ বশির। মামলা দুটি পরে ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে অভিযোগ গঠনের পর্যায়ে পৌঁছায়।
