ঝিনাইদহের শৈলকুপায় গাছের সুপারি পাড়াকে কেন্দ্র করে ছোট ভাইয়ের লাঠির আঘাতে বড় ভাই মজিবুল খাঁ (৫০) নামের এক ব্যক্তি নিহত হয়েছে।
শনিবার (১৭ অক্টোবর) বিকাল ৩টার দিকে উপজেলার সারুটিয়া ইউনিয়নের ব্রম্মপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত ছোট ভাই রবিউল খাঁর স্ত্রী নাজমা বেগমকে আটক করেছে পুলিশ। তবে রবিউল খাঁ পলাতক রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
নিহত মজিবুল খাঁ ওই গ্রামের মৃত মোহাম্মদ আলীর ছেলে। তিনি পেশায় একজন কৃষক ছিলেন।
ব্রম্মপুর গ্রামের সাবেক ইউপি সদস্য সামছুল ইসলাম বলেন, শুক্রবার সকালের দিকে নিহত মজিবুলের ছেলে বাড়ির গাছের কয়েকটি সুপারি গাছ থেকে সংগ্রহ করে। এ নিয়ে ছোট ভাই রবিউল ও বড় ভাই মজিবুলের পরিবারের মধ্যে দিনভর ঝগড়ার সৃষ্টি হয়। শনিবারও এ নিয়ে বিরোধ দেখা যায়। হঠাৎ শনিবার বিকাল ৩টার দিকে দুই পরিবারের মধ্যে লাঠি নিয়ে একে অপরের উপর হামলার ঘটনা ঘটায়। এ সময় ছোট ভাইয়ের লাঠির আঘাতে বড় ভাই মজিবুল খাঁ ঘটনাস্থলেই নিহত হয়।
এ ঘটনায় অভিযুক্ত রবিউলের স্ত্রী নাজমা বেগম বলেন, তার ভাসুর মজিবুল খাঁ দীর্ঘদিন গুরুতর অসুস্থ। তার দাবি, দুই ভাইয়ের হাতাহাতির মধ্যে অসুস্থ বড় ভাই হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে মারা গেছে।
শৈলকুপা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা হুমায়ুন কবির মোল্যা বলেন, দুই ভাইয়ের পারিবারিক কলহে ছোট ভাইয়ের লাঠির আঘাতে বড় ভাই মজিবুলের মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় ছোট ভাইয়ের স্ত্রীকে আটক করা হয়েছে। নিহতের মরদেহ ময়নাতদন্তের জনব্য ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এছাড়া অভিযুক্ত রবিউলকে আটকের চেষ্টা চলছে এবং পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন বলেও জানান তিনি।
