পাবনার চাটমোহরে ১৭.৯৭ শতাংশ জমি অবৈধভাবে দখলের চেষ্টা, ভয়ভীতি প্রদর্শন ও পরিবারের সদস্যদের হয়রানির অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন করেছেন মোহাম্মদ আলী নামে এক প্রতিবন্ধী ব্যক্তি। এ সময় তিনি ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত, পরিবারের নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং দোষীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের হস্তক্ষেপ দাবি করেন।
সোমবার (১২ অক্টোবর) রাতে চাটমোহর প্রেসক্লাব মিলনায়তনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে এসব অভিযোগ তুলে ধরেন তিনি।
লিখিত বক্তব্যে মোহাম্মদ আলী জানান, চাটমোহর উপজেলার দক্ষিণ শিবরামপুর মৌজার ৩২৩ নম্বর খতিয়ানের ৫৪০ নম্বর দাগে অবস্থিত ১৭.৯৭ শতাংশ জমির বৈধ মালিকানা ও কাগজপত্র তাঁদের রয়েছে। তবে গত ২৩ আগস্ট দুপুরে ফিরোজুর রহমান (বাবলু) ও বাংলাদেশ সেনাবাহিনীতে কর্মরত আমিনুল ইসলামসহ কয়েকজন ব্যক্তি জোরপূর্বক ওই জমি দখলের চেষ্টা চালান। এতে বাধা দিলে তিনি ও তাঁর পরিবারের সদস্যরা ভয়ভীতি ও হয়রানির শিকার হন।
তিনি আরও জানান, এ ঘটনায় ২৫ আগস্ট চাটমোহর থানায় লিখিত অভিযোগ করলেও এখনো প্রত্যাশিত প্রতিকার মেলেনি। সর্বশেষ গত ১০ অক্টোবর অভিযুক্ত ফিরোজুর রহমানের বড় ছেলে জোরপূর্বক ওই জমিতে গোবর সার ফেলে চাষাবাদের চেষ্টা করেন, যা মূলত জমি দখলের অপচেষ্টা বলে দাবি করেন তিনি। জমি নিয়ে কোনো বিরোধ থাকলে আইন ও আদালতের মাধ্যমে নিষ্পত্তির আহ্বান জানান তিনি।
অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে ফিরোজুর রহমান বাবলু জমি দখলের দাবি অস্বীকার করে বলেন, “জমি সংক্রান্ত বিষয়ের সমাধান অনেক আগেই হয়েছে। আমরা রাস্তার পাশের জায়গায় ভোগদখলে আছি। মোহাম্মদ আলীদের ওপর কোনো হামলার ঘটনা ঘটেনি, বরং তাঁরাই আমার ছেলেদের মারধর করে রক্তাক্ত করেছেন।”
বিষয়টি নিয়ে চাটমোহর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ওলিউর রহমান জানান, জমিজমা সংক্রান্ত বিষয়টি আদালতের এখতিয়ারভুক্ত। তবে এর মধ্যে কোনো ফৌজদারি অপরাধ ঘটে থাকলে সে বিষয়ে তদন্ত কর্মকর্তার সঙ্গে কথা বলে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
