পাল্টাপাল্টি হামলা চালিয়ে যাচ্ছে সৌদি আরব ও ইয়েমেনের হুতি বিদ্রোহীরা। ইয়েমেনে হুতি নিয়ন্ত্রণাধীন বিভিন্ন এলাকায় হামলা চালিয়েছে সৌদি নেতৃত্বাধীন জোট। পাল্টা জবাবে সৌদির দাহরানে আরামকোর প্রশাসনিক ভবনে হামলা চালিয়েছে হুতিরা।
এদিকে, ইসরায়েলের সামরিক সহায়তার প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছেন সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান। খবর বার্তা সংস্থা রয়টার্সের।
ইয়েমেনের বিদ্রোহী গোষ্ঠী হুতিদের বিরুদ্ধে হামলা শুরু করেছে সৌদি নেতৃত্বাধীন জোট। ইয়েমেনের সাদা প্রদেশে অন্তত দুটি বিমান হামলা হয়েছে। এছাড়া সানায় তেল স্থাপনা লক্ষ্য করে হয়ে হামলার ঘটনা। এর আগে, তেল স্থাপনার আশপাশের এলাকার মানুষকে সরে যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়।
এসব হামলার জবাবে সৌদি আরবের দাহরানে আরামকোর প্রশাসনিক ভবনে হামলা চালায় হুতিরা। এতে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটলেও হতাহতের কোনো ঘটনা ঘটেনি। এছাড়া দাম্মামে আরামকোর সদর দপ্তর ও তেল শোধনাগারে এবং রিয়াদের কিং খালিদ বিমানবন্দরেও হামলার হুমকি দিয়েছে গোষ্ঠীটি।
একই সময়ে রিয়াদ ও দাহরান লক্ষ্য করে ছোড়া হুতিদের ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহতের দাবি সৌদি আরবের। তবে ক্ষেপণাস্ত্রের ধ্বংসাবশেষ পড়ে অন্তত চারজন আহত হয়েছেন। একইসাথে রাজধানীর কয়েকটি বাড়িঘর ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
এদিকে, হুতিদের বিরুদ্ধে যৌথ সামরিক লড়াইয়ের বিষয়ে ইসরায়েলের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছেন সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান। একইসাথে সৌদি আরবকে সহায়তায় তুর্কি প্রেসিডেন্টকে অনুরোধ করতে পারেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
ট্রাম্পের অভিযোগ, যুক্তরাষ্ট্রে মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে জ্বালানির দাম বাড়ানোর উদ্দেশে সৌদি আরবে হামলা জোরদার করছে হুতিরা। ইরানের নির্দেশেই গোষ্ঠীটি এমন আচরণ, দাবি তার।
