এরই মধ্যে ইউজিসির তত্ত্বাবধানে বিশ্ববিদ্যালয়ে একটি এআই ল্যাব স্থাপন করা হয়েছে। প্রায় সাড়ে ৩ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত এ ল্যাবে ১৮ লাখ টাকা খরচ করে ৯০০ বর্গফুটের একটি সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থা স্থাপন করা হয়েছে।
নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য হিসেবে অল্প কিছুদিন আগে যোগদান করেছি। গত তিন-চার মাসের অভিজ্ঞতায় দেখেছি, প্রায় ১০০ একর আয়তনের এ বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রতি মাসে ৩৩-৩৪ লাখ টাকা বিদ্যুৎ বিল আসে। ফলে আমাদের সামনে এখন বড় একটি চ্যালেঞ্জ হলো কীভাবে বিদ্যুতের ব্যবহার সাশ্রয় করা যায় এবং এ বিপুল ব্যয় কমিয়ে আনা যায়। আমরা মনে করছি, বিশ্ববিদ্যালয়ে সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থা স্থাপন ও এর ব্যবহার সম্প্রসারণ করা গেলে বিদ্যুৎ খাতে ব্যয় উল্লেখযোগ্যভাবে কমিয়ে আনা সম্ভব হবে।
এরই মধ্যে ইউজিসির তত্ত্বাবধানে বিশ্ববিদ্যালয়ে একটি এআই ল্যাব স্থাপন করা হয়েছে। প্রায় সাড়ে ৩ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত এ ল্যাবে ১৮ লাখ টাকা খরচ করে ৯০০ বর্গফুটের একটি সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থা স্থাপন করা হয়েছে।
এ-সংক্রান্ত একটি ইনসেপশন সেমিনারে প্রকল্প পরিচালকের কাছ থেকে বিস্তারিত তথ্য জেনেছি। তার দেয়া তথ্য অনুযায়ী, এ সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থা থেকে বছরে প্রায় ২৩ হাজার ইউনিট বিদ্যুৎ পাওয়া যাবে, যা দৈনিক গড়ে প্রায় ৬৩ ইউনিট। তিনি আরো জানিয়েছেন, এ সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনে প্রতি ইউনিটে ব্যয় হবে প্রায় সাড়ে ৫ টাকা। অন্যদিকে বর্তমানে আমরা প্রতি ইউনিট বিদ্যুতের জন্য প্রায় ১০ টাকা পরিশোধ করছি। অর্থাৎ সৌরবিদ্যুৎ ব্যবহারের মাধ্যমে প্রতি ইউনিটে উল্লেখযোগ্য অর্থ সাশ্রয়ের সুযোগ রয়েছে।
এজন্য আমরা সরকারকে ধন্যবাদ জানাই। আমরা আশা করছি, ভবিষ্যতে বিশ্ববিদ্যালয়ের পুরো ক্যাম্পাসকে সৌরবিদ্যুতের আওতায় আনা গেলে বিদ্যুৎ খাতে আমাদের বিপুল ব্যয় অনেকাংশে কমিয়ে আনা সম্ভব হবে। সবাইকে ধন্যবাদ।
