Published on
:
1 min read
দুর্গাপুজোয় অঞ্জলি দিতে এসে কমিউনিস্ট ও ককরোচ জনতা পার্টিকে একযোগে নিশানা করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। সোমবার কাঁথির নান্দনিক ক্লাবে পুজো দিতে চান তিনি। সেখানে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ‘কমিউনিস্ট আর আরশোলারা বাংলাদেশের মতো অশান্তি সৃষ্টি করতে চাইছে।’ পাল্টা মুখ্যমন্ত্রীকে কটাক্ষ করেছে সিপিএমও।
গত কয়েক দিনে বিভিন্ন জেলা থেকে বামেদের বইয়ের স্টল ভাঙচুরের অভিযোগ সামনে এসেছে। তাদের দাবি, কোথাও বইপত্র ছিঁড়ে রাস্তায় ফেলে দেওয়া হয়েছে। কোথাও বুলডোজ়ার দিয়ে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে স্টল। এই প্রেক্ষিতে সরাসরি বামেদেরই নিশানা করলেন শুভেন্দু। পুজো দিয়ে বেরিয়ে কপালে টিকা আর হাতের তাগা দেখিয়ে বললেন, ‘আমি কমিউনিস্ট নই, নাস্তিক নই, জামাতিও নই। আমি হিন্দু বাড়ির ছেলে, সনাতনী।’
নিজের বিশ্বাসের কথাও সগর্বে তুলে ধরেন শুভেন্দু। সোজাসুজি বলেন, ‘আমার বয়স এখন ৫৬ বছর। গত ৫০ বছর ধরে এই নিয়ম (অষ্টমীতে অঞ্জলি) পালন করে আসছি।’ একজন সনাতনী হিন্দু হিসেবে এটা তাঁর দায়িত্ব ও কর্তব্য বলেও মনে করেন শুভেন্দু।
এর পরেই কমিউনিস্টরা পুষ্পাঞ্জলি দেয় না বলে কটাক্ষ করেন তিনি। ব্যঙ্গের সুরে শুভেন্দু বলেন, ‘ওরা অঞ্জলি দেয় না, হাতে তাগা পরে না, কপালে টিকা লাগায় না, চরণামৃত খায় না। এদের থেকে সাবধানে থাকবেন।’ নিটের প্রশ্নফাঁস কাণ্ডে আন্দোলনের পরে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে দিল্লিতে বিক্ষোভ শুরু করেছে ককরোচ জনতা পার্টি। তাদেরও কটাক্ষ করতে ছাড়েননি শুভেন্দু। সরাসরি বলে দেন, ‘গোটা ভারতে এরা বাংলাদেশের মতো অশান্তি পাকাতে চাইছে। এদের মোকাবিলা করতে হবে।’
পাল্টা শুভেন্দুকে কটাক্ষ করেন সিপিএমের পূর্ব মেদিনীপুর জেলা সম্পাদক মণ্ডলীর সদস্য পরিতোষ পট্টনায়ক। তাঁর অভিযোগ, দুর্গাপুজোর মতো ধর্মীয় উৎসবকেও রাজনৈতিক প্রচারের হাতিয়ার করছেন মুখ্যমন্ত্রী। পরিতোষের কথায়, ‘মুখ্যমন্ত্রী দুর্গাপুজো নিয়ে রাজনীতি করছেন। আগে কখনও এমনটা হয়নি।’
