The Sangbad · general
মানসিক ভারসাম্যহীন ব্যক্তিকে মারধর: যুবক গ্রেপ্তার, এএসআই প্রত্যাহার
১৪/১০/২০২৬

রাজধানীর ধানমন্ডির সাতমসজিদ রোডে ফুটপাতে শহীদ আবদুল্লাহ আল মাসুদ ওরফে মাসুদ রানা (৪৮) নামের এক মানসিক ভারসাম্যহীন ব্যক্তিকে প্রকাশ্যে মারধর ও কান ধরে ওঠবস করানোর ঘটনায় খালিদ হাসান (৩৫) নামের এক যুবককে আটক করেছে পুলিশ।বুধবার দুপুর পৌনে ১২টার দিকে ধানমন্ডির মীনা বাজার এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। একই সাথে, মারধরের সময় ঘটনাস্থলে উপস্থিত থেকেও নিশ্চুপ ভূমিকা পালন করার দায়ে ধানমন্ডি থানার সহকারী উপ-পরিদর্শক (এএসআই) আবদুল হাইকে কর্তব্যে অবহেলার অভিযোগে থানা থেকে প্রত্যাহার করে পুলিশ লাইন্সে সংযুক্ত করা হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, গ্রেপ্তার খালিদ পেশায় একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের গ্রাফিক্স ডিজাইনার।ঘটনার বিস্তারিত জানিয়ে ধানমন্ডি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ ইমদাদুল ইসলাম তৈয়ব বলেন, "গত সোমবার দুপুরে ধানমন্ডি সাতমসজিদ রোডের বেসরকারি বাংলাদেশ আই হসপিটালের উল্টো দিকে শহীদ আবদুল্লাহ আল মাসুদ ওরফে মাসুদ রানা নামের এক ব্যক্তিকে মারধর ও কান ধরে ওঠবস করানোর অভিযোগে খালিদকে আটক করা হয়। তাকে আজ ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) রমনা জোনের স্পেশাল মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। শহীদ আবদুল্লাহ মানসিক রোগে আক্রান্ত।"গত সোমবার এক তরুণীকে শ্লীলতাহানির অভিযোগে আবদুল্লাহর ওপর চড়-থাপ্পড় ও লাথি উঁচিয়ে চড়াও হন খালিদ। এ ঘটনার ২ মিনিট ১২ সেকেন্ডের একটি ভিডিও ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়লে দেশজুড়ে তীব্র আলোচনার জন্ম দেয়।ঘটনাস্থলে দায়িত্বরত পুলিশের ভূমিকা নিয়ে ওসি ইমদাদুল ইসলাম আরও বলেন, "এএসআই আবদুল হাইকে থানা থেকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। ঘটনাস্থলে তার দায়িত্ব ছিল। আর পুলিশের বাকি দুই সদস্য পাবলিক অর্ডার ম্যানেজমেন্টের (দাঙ্গা দমন বিভাগের)। তাদের ব্যাপারে তিনি কিছু জানেন না।"ছড়িয়ে পড়া ভিডিওটিতে দেখা যায়, ক্ষুব্ধ খালিদ গালিগালাজ করতে করতে আবদুল্লাহকে চড় ও লাথি মারছেন এবং ভিড় জমানো পথচারীদের একজন পুলিশের উপস্থিতির কথা মনে করিয়ে দিলেও খালিদ চিৎকার করে বলতে থাকেন, ‘কীসের সরি, সরি বললেই সব শেষ হয়ে যায়?’ এবং ‘মায়ের গায়ে হাত দিয়েছিস’ বলেই বারবার তাকে আঘাত করেন। কয়েক হাত দূরে পুলিশ দাঁড়িয়ে দেখার মতো ঘটনা পর্যবেক্ষণ করায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রশাসনের উদাসীনতা ও পুলিশের দক্ষতা নিয়ে তৈরি হয়েছে নানা প্রশ্ন।
মূল প্রতিবেদনে যান ↗