শরীয়তপুরের নড়িয়ায় অসুস্থ কিশোরীকে ঝাড়ফুঁক ও কবিরাজি চিকিৎসা দেওয়ার কথা বলে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে হোসাইন আহম্মেদ (৫৫) নামের এক অধ্যক্ষকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় কিশোরীর মা বাদী হয়ে মামলা করেছেন।
পুলিশ জানায়, দুপুরে শরীয়তপুর পৌরসভা এলাকা থেকে হোসাইন আহম্মেদকে গ্রেপ্তার করা হয়। মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) তাকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।
গ্রেপ্তার হোসাইন নড়িয়া পৌরসভার ২ নম্বর ওয়ার্ডের বৈশাখীপাড়া এলাকার বাসিন্দা। তিনি ওই এলাকার জামিয়া ইন্দাদিয়া কওমি মাদরাসার অধ্যক্ষ।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, গত ২১ সেপ্টেম্বর পেটব্যথায় অসুস্থ হয়ে পড়ে ১৪ বছর বয়সী ওই কিশোরী। মেয়েকে সুস্থ করার আশায় তার মা তাকে হোসাইন আহম্মেদের কাছে নিয়ে যান। সেখানে কিশোরীকে দেখার পর অভিযুক্ত ব্যক্তি তার মাকে সরিষার তেল ও পানির বোতল আনতে বাড়িতে পাঠান।
এজাহারে অভিযোগ করা হয়, কিশোরীর মা বাড়িতে যাওয়ার পর অভিযুক্ত ব্যক্তি ঘরের দরজা বন্ধ করে তাকে ধর্ষণের চেষ্টা করেন। বিষয়টি টের পেয়ে কিশোরীর মা ও স্থানীয় লোকজন এগিয়ে এলে অভিযুক্ত ব্যক্তি পেছনের দরজা দিয়ে পালিয়ে যান।
কিশোরীর মায়ের ভাষ্য, মেয়ের শারীরিক অসুস্থতার কারণে চিকিৎসার আশায় তিনি অভিযুক্তের কাছে গিয়েছিলেন। সেখানে এমন পরিস্থিতির মুখোমুখি হবেন, তা তিনি কল্পনাও করেননি। ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে অভিযুক্তের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তিনি।
এ বিষয়ে নড়িয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আনোয়ার হোসেন বলেন, ভুক্তভোগী কিশোরীর মা এ ঘটনায় আদালতে মামলা করেছেন। আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী মামলার প্রেক্ষিতে অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাকে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।
