মাসুম বিল্লাহ, বটিয়াঘাটা খুলনা প্রতিনিধিঃ
খুলনা-১ আসনের মাননীয় সংসদ সদস্য আলহাজ্ব আমির এজাজ খানের বলিষ্ঠ নেতৃত্ব ও ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় দক্ষিণ অঞ্চলের প্রান্তিক জনপদ দাকোপ ও বটিয়াঘাটা আজ উন্নয়নের এক নতুন দিগন্তে প্রবেশ করতে যাচ্ছে। বিশেষ করে খুলনা জেলার দাকোপ উপজেলার সুন্দরবন সংলগ্ন প্রত্যন্ত অঞ্চল নলিয়ানে এখন বইছে বাঁধভাঙা আনন্দের জোয়ার। গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সম্ভাব্য এই সফরকে কেন্দ্র করে পুরো উপকূলজুড়ে এখন সাজসাজ রব ও উৎসবের আমেজ বিরাজ করছে।
আগামী ২২ অক্টোবর ২০২৬ প্রধানমন্ত্রীর আগমনকে স্মরণীয় ও নির্বিঘ্ন করতে নলিয়ান মাধ্যমিক বিদ্যালয় মাঠে পুরোদমে চলছে হেলিপ্যাড নির্মাণের কাজ। স্থানীয় প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সার্বক্ষণিক প্রস্তুতি তদারকি করছে। সর্বোচ্চ নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আশেপাশের পুরো এলাকায় জোরদার করা হয়েছে বিশেষ নজরদারি।
স্বাধীনতার পর এক অনন্য মাইলফলক
বাংলাদেশের রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক ইতিহাসে এই প্রথম কোনো দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রধানমন্ত্রী এই প্রত্যন্ত উপকূলীয় অঞ্চলে পা রাখতে যাচ্ছেন। স্বাধীনতার পর কখনো কোনো প্রধানমন্ত্রী সরাসরি নলিয়ানে আসেননি, তাই এটি স্থানীয়দের জন্য এক পরম গর্ব ও আনন্দের মুহূর্ত।
অবহেলিত জনগোষ্ঠীর নতুন আশার আলো
পশুর ও শিবসা নদী পরিবেষ্টিত সুন্দরবন সংলগ্ন এ অঞ্চলের মানুষের বিশ্বাস প্রধানমন্ত্রীর এই সফর কেবল একটি সাধারণ পরিদর্শনেই সীমাবদ্ধ থাকবে না, বরং তা উপকূলীয় সাধারণ মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনের চাবিকাঠি হিসেবে কাজ করবে।
স্থানীয়দের দীর্ঘদিনের চাওয়াগুলোর যেমন
টেকসই বেড়িবাঁধ জলোচ্ছ্বাস ও নদী ভাঙন রোধে স্থায়ী সমাধান, যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন সড়ক ও জলপথের আধুনিকায়ন, তীব্র খাবার পানি সংকট নিরসনে নতুন মেগা প্রকল্প ও সুন্দরবন কেন্দ্রিক পরিবেশবান্ধব পর্যটন ও নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ।
এ অঞ্চলের মানুষের অভিমত, আমাদের দীর্ঘদিনের অবহেলা ও দুঃখ-কষ্ট দূর হওয়ার এক নতুন দুয়ার খুলতে যাচ্ছে এই সফরের মাধ্যমে।
নলিয়ান মাধ্যমিক বিদ্যালয় মাঠের প্রস্তুতি কাজ সম্পন্ন হওয়ার পর কাঙ্ক্ষিত সেই শুভ ক্ষণটি বাস্তবে রূপ নিলে, তা দাকোপের উন্নয়ন ইতিহাসে এক নতুন স্বর্ণালী অধ্যায় হিসেবে যুক্ত হবে-এমনটাই প্রত্যাশা স্থানীয় সচেতন মহলের।
The post উপকূলের নতুন দিগন্ত: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সম্ভাব্য নলিয়ান সফরকে কেন্দ্র করে উৎসবের আমেজ appeared first on দৈনিক সবুজ বাংলাদেশ.
