১০ অক্টোবর ককরোচ জনতা পার্টির বিক্ষোভের দিন দিল্লিতে মেট্রো পরিষেবায় বিশেষ কাটছাঁট করা হয়নি। মেট্রোর সংখ্যাও স্বাভাবিক ছিল। সুপ্রিম কোর্টে হলফনামা দিয়ে জানাল দিল্লি মেট্রো রেল কর্তৃপক্ষ ডিএমআরসি। তবে যাত্রীদের নিরাপত্তার কথা ভেবে যে কিছু স্টেশন বন্ধ রাখা হয়েছিল সেটাও মেনে নেওয়া হয়েছে হলফনামায়।
বিক্ষোভের জন্য কেন বন্ধ রাখা হল মেট্রো পরিষেবা? প্রশ্ন তুলে মামলা দায়ের হয়েছিল সুপ্রিম কোর্টে। জবাবে দিল্লি মেট্রো রেল কর্তৃপক্ষ জানাল, কোনও ট্রেন বাতিল করা হয়নি। কমানো হয়নি পরিষেবার সংখ্যাও। ১০ অক্টোবর শনিবারের নির্ধারিত সূচি মেনেই ২৭১টি ট্রেন চালানো হয়েছিল। পরিষেবার সংখ্যা বা ট্রেন চলাচলে কোনও কাটছাঁট করা হয়নি। ৪৫টি ইন্টারচেঞ্জ স্টেশনের মধ্যে ১৪টিতে যাত্রীদের এক লাইন থেকে অন্য লাইনে যাওয়ার সুবিধাও অন্যান্য দিনের মতো অপরিবর্তিত ছিল।
গত ১০ অক্টোবর, দিল্লির যন্তর মন্তরে ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) বিক্ষোভ কর্মসূচির জন্য নিরাপত্তাজনিত কারণে বেশ কয়েকটি মেট্রো স্টেশন বন্ধ রাখা এবং ট্রেন বাতিল করা হয়েছিল। তবে দিল্লি মেট্রো রেল কর্তৃপক্ষের তরফে আদালতে জানানো হয়েছে, দিল্লির ৩০৩টি মেট্রো স্টেশনের মধ্যে কেবলমাত্র ৫৭টি স্টেশনে যাত্রীদের প্রবেশ ও বেরোনোর উপর বিধিনিষেধ জারি ছিল। DMRC-র চেয়ারম্যানের জমা দেওয়া হলফনামায় আরও বলা হয়েছে, মেট্রো নেটওয়ার্কের প্রায় ৮৫ শতাংশ চালু ছিল।
উল্লেখ্য, ১০ অক্টোবর দিল্লিতে ককরোচ জনতা পার্টির বিক্ষোভ দমন করতে কার্যত বেনজির পদক্ষেপ করে কেন্দ্র। বন্ধ করে দেওয়া হয় ৫৭টি মেট্রো স্টেশন। একদিন আগে থেকে বন্ধ করে দেওয়া হয় দিল্লিগামী ট্রেনও। যদিও দিল্লি মেট্রো রেল কর্তৃপক্ষের সাফ কথা, পরিষেবা ব্যহত হয়নি।
