অভিযোগের ভিত্তিতে ধৃত তিনছবি:এক্স
Published on
:
1 min read
নয়ডার বাড়ি থেকে উদ্ধার হলো এক দম্পতি এবং তাঁদের তিন নাবালক সন্তানের মৃতদেহ। পুলিশের সন্দেহ, সন্তানদের নিয়ে আত্মঘাতী হন ওই দম্পতি। এই ঘটনায় ওই ব্যক্তির তিন আত্মীয়কে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। ধৃতদের মধ্যে ২ জন ওই ব্যক্তির বোন। আত্মহত্যা করার আগে, মোবাইল ফোনে, ভয়েস নোটে, তিন জনকে দায়ী করে একটি বিবৃতি দিয়েছেন ওই ব্যক্তি। এই নিয়ে দায়ের করা অভিযোগের ভিত্তিতে ওই তিন জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে রবিবার জানিয়েছে পুলিশ।
পুলিশ সূত্রে খবর, গ্রেটার নয়ডার রাবুপুরা এলাকার নাগলা পদম গ্রামের বাড়ি থেকে উদ্ধার হয় মহেশ (৩৭) এবং তাঁর স্ত্রী ললিতার (৩৫) দেহ। সেই সঙ্গে উদ্ধার হয় তাঁদের মেয়ে মিষ্টি (৭) এবং দুই ছেলে সাক্ষাৎ (১১) ও রিয়াংশ (৩)-এর দেহ।
পুলিশ জানিয়েছে, এই চরম পদক্ষেপ করার আগেই নিজের মোবাইল ফোনে ভয়েস নোটে এই পরিণতির জন্য তাঁর দিদি সুনীতা, ভগ্নীপতি শেখর ওরফে চন্দ্রশেখর এবং বোন স্বপ্নাকে দায়ী করেন মহেশ। এই নিয়ে একটি অভিযোগ জানান মহেশের এক আত্মীয়। ওই অভিযোগের ভিত্তিতেই তিন জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন রাবুপুরা থানার আধিকারিক সুজিত উপাধ্যায়। শেখর এবং সুনীতা থাকেন দিল্লির শালিমার বাগে। স্বপ্না থাকেন দিল্লিরই খেরা কালান এলাকায়। ধৃতদের জেরা করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন তিনি।
তদন্তে জানা গিয়েছে, যে বাড়িতে মহেশ পরিবার নিয়ে বাস করতেন সেটি তাঁর নামে লিখে দেওয়ার জন্য মাকে বুঝিয়েছিলেন সুনীতা। এই ‘ট্রান্সফার’-এর কথা জানার পর মানসিকভাবে ভেঙে পড়েন মহেশ।
পুলিশ আধিকারিকরা জানিয়েছেন, সম্পত্তি নিয়ে এই বিবাদের জেরেই স্ত্রী এবং সন্তানদের নিয়ে আত্মহত্যা করেছেন মহেশ। এমনই সন্দেহ আত্মীয়দের। সূত্রের খবর, মৃত্যুর আগে নুডলস খেয়েছিলেন ওই পরিবারের সদস্যরা। তাতেই বিষ জাতীয় কিছু মেশানো ছিল।
