Published on
:
1 min read
এই সময়,বারুইপুর: বারুইপুর পুরসভার ভুয়ো ডেথ সার্টিফিকেট কাণ্ডে এবার নয়া মোড় নিয়েছে।আদালতে যাওয়ার পথে বিজেপির মণ্ডল সভাপতির বিরুদ্ধে ৩০ লক্ষ টাকা তোলাবাজির বিস্ফোরক অভিযোগ তুলেছেন ধৃত দুই তৃণমূল পুরপিতা।সোমবার ধৃত দুই পুরপিতা বিকাশ দত্ত ও আশীষ দেব রায় সহ তৃণমূল কর্মী জয়দেব সাহাকে বারুইপুর মহকুমা আদালতে নিয়ে যাওয়া হয়।আদালতে নিয়ে যাওয়ার সময় দুই পুরপিতা বিস্ফোরক অভিযোগ করেন।
তাদের দাবি, বারুইপুর পশ্চিম বিধানসভার বিজেপির এক নম্বর মণ্ডল সভাপতি গৌতম চক্রবর্তী ৩০ লক্ষ টাকা চেয়েছিলেন।টাকা না দেওয়ায় তাদেরকে মিথ্যা মামলায় ফাঁসানো হয়েছে।রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে এই ফাঁসানো হয়েছে। তারা কোনওভাবেই এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত নন।পুলিশ সঠিকভাবে তদন্ত করলে বিজেপির মুখোশ খুলে যাবে।প্রসঙ্গত,কিছুদিন আগে বারুইপুর থানার পুলিশ তিন ভুয়ো চিকিৎসককে গ্রেপ্তার করে।ধৃতরা হলেন তপন কুমার বৈরাগী,বাসুদেব নস্কর ও আশীষ কুমার বড়াল।তাদের জেরা করতেই উঠে আসে পুরসভার যোগের কথা।অভিযোগ, বারুইপুরের কীর্তনখোলা মহাশ্মশানে দীর্ঘদিন ধরে ভুয়ো চিকিৎসকদের দিয়ে ডেথ সার্টিফিকেট ইস্যু করাতেন পুরপিতারা।এই ঘটনায় বিজেপির এক কর্মীর অভিযোগের ভিত্তিতে রবিবার রাতে দুই পুরপিতা সহ এক তৃণমূল কর্মীকে গ্রেপ্তার করে বারুইপুর থানার পুলিশ। সোমবার ধৃতদের বারুইপুর মহকুমা আদালতে তোলা হলে বিচারক দুই দিনের পুলিশ হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছেন।
যদিও ধৃতদের তোলা তোলাবাজির অভিযোগ নস্যাৎ করেছেন বিজেপির মণ্ডল সভাপতি গৌতম চক্রবর্তী।তার পাল্টা অভিযোগ, 'রাজ্যজুড়ে কারা তোলাবাজি করেছে মানুষ সবটাই জানে। যতই আমাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলুক,সত্যিটা সত্যিই থাকবে।আগামী দিনে বারুইপুরের অন্যান্য পুরপিতা ও পুরমাতারাও গ্রেপ্তার হবেন।'
