দিন দুয়েক ধরেই দিলজিৎ দোসাঞ্ঝের দিল্লির কনসার্ট নিয়ে বিস্তর জলঘোলা। বুক মাই শো থেকে টিকিট বিকোলেও বৃহস্পতিবার শোনা গিয়েছিল, নিরাপত্তাজনিত উদ্বেগের কারণে জওহরলাল নেহরু স্টেডিয়ামে কনসার্টের অনুমতি দেয়নি পুলিশ। পাঞ্জাবি পপস্টারের শো নিয়ে ধোঁয়াশা তৈরি হওয়ার চব্বিশ ঘণ্টার মধ্যেই আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হয়, নির্দিষ্ট দিনেই দিল্লিবাসীর সামনে সংগীত পরিবেশন করবেন দিলজিৎ। টিকিট বুকিং সংস্থা ‘বুকমাইশো’-এর তরফেও জানানো হয়েছে দিল্লিতে ৩০ অক্টোবর দিলজিতের ‘অরা ইন্ডিয়া টুর’-এর কনসার্ট বাতিল করা হয়নি। অনুষ্ঠান নির্বিঘ্নে সম্পন্ন করতে নিরাপত্তা নিয়ে বিশেষ পরিকল্পনা করা হচ্ছে।
চর্চার মাঝে পাঞ্জাব দি পুত্তরের ‘সিংহম’ মেজাজে পালটা জবাব, ‘৩০ তারিখ দিল্লিতে দেখা হবে’। এক সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও আঁটসাঁট করতে আয়োজকদের অতিরিক্ত বেসরকারি নিরাপত্তারক্ষী নিয়োগ করার নির্দেশ দিয়েছে পুলিশ। পাশাপাশি, স্টেডিয়ামে প্রবেশ ও বেরোনোর জন্য আরও বেশি পথ খুলে দেওয়ার কথাও বলা হয়েছে। দিলজিৎ দোসাঞ্ঝের কনসার্টে বিপুল সংখ্যক দর্শকের উপস্থিতির সম্ভাবনা রয়েছে। ভিড় নিয়ন্ত্রণের জন্য পুলিশ ও আয়োজকরা একসঙ্গে কাজ করবেন।
প্রাথমিক পরিকল্পনা অনুযায়ী, কনসার্টে চারশো জন বেসরকারি নিরাপত্তারক্ষী মোতায়েন করার কথা ছিল। কিন্তু, পরবর্তী পরিস্থিতিতে বিষয়টি পুর্নবিচেবচনা করে কর্তৃপক্ষ মনে করছে, ভিড় সামলাতে প্রায় দেড় থেকে দু’হাজার নিরাপত্তাকর্মীর প্রয়োজন। যান নিয়ন্ত্রণের ক্ষেত্রে স্টেডিয়ামের চারপাশে পাঁচশো থেকে সাতশো মিটার এলাকায় গাড়ি চলাচলে বিধিনিষেধ আরোপের বিষয়টিও বিবেচনা করা হচ্ছে। কয়েকটি নির্দিষ্ট এলাকায় শুধুমাত্র শিল্পীদের গাড়ি চলাচলের অনুমতি দেওয়া হতে পারে।

জওহরলাল নেহরু স্টেডিয়ামে প্রায় পঞ্চান্ন হজার দর্শকের বসার ব্যবস্থা রয়েছে। তাই বিপুল জনসমাগমের কথা মাথায় রেখে আগেভাগেই প্রস্তুতি নিচ্ছে কর্তৃপক্ষ। দর্শকের আরও কাছে পৌঁছনো এবং তাঁদের মনোরঞ্জনে যাতে কোনও খামতি না থাকে সেই জন্য দিলজিতের পারফরম্যান্সের র্যাম্পটি আরও বড় করার পরিকল্পনা করছেন আয়োজকরা। তবে বিষয়টি এখনও আলোচনার পর্যায়ে রয়েছে। নিরাপত্তার দিকটি খতিয়ে দেখে এবং প্রয়োজনীয় অনুমতি পাওয়ার পরেই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
