The Sangbad · সাধারণ
সীমান্ত পার হতেই আটক: পতাকা বৈঠকে পুলিশ ফেরত
১৬/১০/২০২৬

কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়া সীমান্তে মাদকবিরোধী অভিযানে গিয়ে ভারতের অভ্যন্তরে আটক হওয়া বাংলাদেশ পুলিশের দুই সদস্যকে পতাকা বৈঠকের মাধ্যমে ফেরত দিয়েছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)।শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) দুপুর একটা ৪৫ মিনিটে উপজেলার নারায়ণপুর সীমান্তের ২০৫৭ নম্বর প্রধান পিলারের কাছে পতাকা বৈঠকের পর তাদের বিজিবির কাছে হস্তান্তর করা হয়। পরে বিজিবি সদস্যরা তাদের পুলিশের নিকট সোপর্দ করেন।ফেরত আসা দুই পুলিশ সদস্য হলেন - ব্রাহ্মণপাড়া থানার সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) মো. ইমরান হোসেন ও কনস্টেবল রহিত দেওয়ান।পতাকা বৈঠকে বাংলাদেশের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন সুলতানপুর ব্যাটালিয়ন (৬০ বিজিবি)-এর অধিনায়ক লেফট্যানেন্ট কর্নেল এস এম শরিফুল ইসলাম, দেবীদ্বার সার্কেলের সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার মো. শাহীন, ব্রাহ্মণপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ফারুক হোসেন এবং শশীদল বিওপির কমান্ডার সুবেদার মোহাম্মদ তাকবীর হোসেন। এর আগে বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) দিবাগত রাত সাড়ে ১০টার দিকে ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলার শশীদল ইউনিয়নের আশাবাড়ি সীমান্তের ২০৫৯ নম্বর পিলার এলাকায় মাদকবিরোধী অভিযানে গিয়ে ভারতীয় নাগরিকদের হাতে আটক হন এই দুই পুলিশ সদস্য। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, সিএনজিচালিত অটোরিকশায় করে মাদকবিরোধী অভিযানে যায় ব্রাহ্মণপাড়া থানা-পুলিশের একটি দল। এ সময় পুলিশ দেখে এক মাদক কারবারি পালানোর চেষ্টা করলে কনস্টেবল রহিত দেওয়ান তাকে ধাওয়া করেন। একপর্যায়ে সীমান্তের ওপারে চলে গেলে ভারতীয় নাগরিকেরা কনস্টেবল রহিতকে আটক করে। পরে তাকে ছাড়িয়ে আনতে গেলে এএসআই মো. ইমরান হোসেনকেও আটক করা হয়। পরবর্তীতে গ্রামবাসী দুজনকে বিএসএফের হাতে তুলে দেয়।উল্লেখ্য, এর আগে ২০১৯ সালের ১০ অক্টোবর একই এলাকায় মাদকবিরোধী অভিযানে গিয়ে সীমান্ত অতিক্রম করায় র্যাব-১১-এর তিন সদস্য ও দুই সোর্সকে আটক করেছিলেন ভারতীয় নাগরিকেরা। পরে তাদেরও বিএসএফের মাধ্যমে পতাকা বৈঠকের দিয়ে দেশে ফিরিয়ে আনা হয়েছিল।
মূল প্রতিবেদনে যান ↗