আবুধাবিতে শনিবার জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে সাড়ে সাত বছর পর ত্রিদেশীয় ওয়ানডে সিরিজে নামতে যাচ্ছে বাংলাদেশ। এই টুর্নামেন্টের আরেক দল আফগানিস্তান।
১৯৯৭ সালে কেনিয়ায় অনুষ্ঠিত প্রেসিডেন্টস কাপে অংশগ্রহণের মাধ্যমে ত্রিদেশীয় ওয়ানডে সিরিজে পথচলা শুরু হয়েছিল বাংলাদেশের। নিজেদের ক্রিকেট ইতিহাসে এখন পর্যন্ত এরকম মোট ১৩টি সিরিজে অংশ নিয়েছে টাইগাররা।
এক নজরে দেখে নেওয়া যাক এসব টুর্নামেন্টে বাংলাদেশের পারফরম্যান্স:
অভিষেকে শূন্য হাতে ফেরা
১৯৯৭ সালে স্বাগতিক কেনিয়া ও জিম্বাবুয়েকে নিয়ে অনুষ্ঠিত টুর্নামেন্টটি ছিল বাংলাদেশের খেলা প্রথম ত্রিদেশীয় সিরিজ। তবে চার ম্যাচের সবকটিতে হেরে ফাইনালের আগেই ছিটকে যেতে হয় তাদেরকে।
১৩টি সিরিজে একমাত্র শিরোপা
মোট ১৩টি ত্রিদেশীয় ওয়ানডে সিরিজে অংশ নিলেও বাংলাদেশ শিরোপার মুখ দেখেছে কেবল একবারই। ২০১৯ সালের মে মাসে আয়ারল্যান্ডে আয়োজিত সেই টুর্নামেন্টের ফাইনালে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে ডিএলএস পদ্ধতিতে ৫ উইকেটে হারিয়েছিল তারা।
ফাইনালের হারের বেদনা
২০১৯ সালের সাফল্য ছাড়াও বাংলাদেশ আরও দুবার ত্রিদেশীয় সিরিজের ফাইনালে উঠেছিল। ২০০৯ ও ২০১৮ সালে দেশের মাটিতে আয়োজিত ওই দুই টুর্নামেন্টেই শ্রীলঙ্কার কাছে হেরে রানার্সআপ হয়ে সন্তুষ্ট থাকতে হয়।
জিম্বাবুয়ের মুখোমুখি সবচেয়ে বেশি
ত্রিদেশীয় সিরিজের মঞ্চে এখন পর্যন্ত বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি চারবার প্রতিপক্ষ হিসেবে পেয়েছে জিম্বাবুয়েকে— ১৯৯৭, ১৯৯৯, ২০০৯ ও ২০১৮ সালে।
ফাইনালহীন ২০০৭ সালের অভিজ্ঞতা
২০০৭ সালে ওয়েস্ট ইন্ডিজে অনুষ্ঠিত একটি ত্রিদেশীয় সিরিজে আইসিসির দুই সহযোগী সদস্য কানাডা ও বারমুডা ছিল বাংলাদেশের প্রতিপক্ষ। টাইগাররা দুটি ম্যাচই জিতলেও সেই টুর্নামেন্টে কোনো ফাইনাল ছিল না।
স্মরণীয় কিছু অর্জন
পরিসংখ্যানের বিচারে সার্বিক রেকর্ড বেশ হতাশাজনক হলেও ত্রিদেশীয় ক্রিকেট বাংলাদেশকে উপহার দিয়েছে কালজয়ী কিছু মুহূর্ত।
১৯৯৮ সালে ভারতে অনুষ্ঠিত কোকাকোলা ট্রায়াঙ্গুলার সিরিজে কেনিয়াকে হারিয়ে ওয়ানডে ইতিহাসে নিজেদের প্রথম জয় পেয়েছিল বাংলাদেশ।
পাশাপাশি ২০০৫ সালে ইংল্যান্ডে অনুষ্ঠিত ন্যাটওয়েস্ট সিরিজে কার্ডিফের মাঠে অস্ট্রেলিয়াকে হারানোর সেই ঐতিহাসিক মুহূর্ত আজও দেশের ক্রিকেট ইতিহাসের অন্যতম সেরা ও আলোচিত জয় হিসেবে অমলিন।
