২০২৬ সালের ভারতীয় বক্স অফিসে ইতিহাসের সবচেয়ে বড় ঝড় তুলেছে পরিচালক আদিত্য ধরের মেগা ব্লকবাস্টার ছবি 'ধুরন্ধর: দ্য রিভেঞ্জ' । এই ছবির আকাশছোঁয়া সাফল্য আর বিশ্বজুড়ে ১৮০০ কোটি টাকার বেশি ব্যবসার খবরের মাঝেই সবচেয়ে বড় চর্চার কেন্দ্রবিন্দুতে চলে এসেছেন খোদ পরিচালকের স্ত্রী তথা জনপ্রিয় অভিনেত্রী ইয়ামি গৌতম। ছবির একটি বিশেষ ক্যামিও চরিত্রে তাঁর আকস্মিক উপস্থিতি পর্দা কাঁপিয়ে দিয়েছিল।
কিন্তু সবার মনেই একটাই প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছিল—স্বামীর ছবিতে ক্যামিও করার জন্য কি বিশাল অঙ্কের কোনও 'ফ্যাট চেক' বা মোটা পারিশ্রমিক নিয়েছেন ইয়ামি? এই জল্পনার অবসান ঘটাতে অবশেষে খোদ মুখ খুললেন অভিনেত্রী।
নিজের আসন্ন হরর-কমেডি ছবি 'নয়ি নাভেলি'-র প্রচারে গিয়ে জনপ্রিয় রিয়ালিটি গেম শো 'কোন হনার করোড়পতি'-র সেটে উপস্থিত হয়েছিলেন ইয়ামি। শো-এর আইকনিক হোস্ট মাধুরী দীক্ষিত ইয়ামির প্রশংসায় পঞ্চমুখ হয়ে প্রশ্ন করেন, 'ধুরন্ধর: দ্য রিভেঞ্জ' ছবিতে তোমার ক্যামিওটা দুর্দান্ত ছিল! বলো তো, এর জন্য কি পরিচালক-স্বামী তোমাকে দারুণ একটা চেক দিয়েছিলেন, না কি শুধুই ভালবাসার খাতিরে বিনামূল্যে কাজ করেছ?
এর জবাবে মুচকি হেসে ইয়ামি যা বললেন, তা শুনে মুগ্ধ হয়ে যান দর্শকরা। অভিনেত্রীর কথায়, "আমি কোথাও পড়েছিলাম যে এই ছোট ক্যামিওটার জন্য নাকি আমি বিশাল বড় একটা পারিশ্রমিক পেয়েছি! তখন ভেবেছিলাম—এসব কী রটছে! তবে কিছু জিনিস টাকার অঙ্কে মাপা যায় না, এগুলো একদম 'অমূল্য '। আদিত্য খুব মিষ্টি করে বলেছিল—‘ইয়ামি, আমি চাই তুমি শুধু আমার সৌভাগ্যের প্রতীক হিসেবে আমার এই ছবিতে আসো এবং পুরো ফ্রেমটা জুড়ে ঝলমল করে ওঠো।’ তাই সেরা একজন পরিচালকের নির্দেশনায় কাজ করাটাই আমার কাছে ছিল সবচেয়ে বড় ফি!"
এরপর মাধুরী দীক্ষিতও যোগ করেন যে, পর্দায় হঠাত্ যখন ইয়ামির চরিত্রটি (পাকিস্তানে আন্ডারকভার নার্স হিসেবে কর্মরত 'সাজিবা বানু') ঘুরে তাকায় এবং দর্শক বুঝতে পারে ওটা ইয়ামি, সেই মুহূর্তটা দেখার মতো দারুণ এক অভিজ্ঞতা ছিল!
আদিত্য ধরের পরিচালনায় এবং রণবীর সিংয়ের নেতৃত্বে এই সিক্যুয়েল ছবিটির সাফল্যের খতিয়ান এককথায় অসামান্য -
রেকর্ড ভাঙা ব্যবসা: এটি ভারতের প্রথম ছবি যা ঘরোয়া বক্স অফিসে ১,০০০ কোটি টাকার গণ্ডি পার করেছে। বিশ্বব্যাপী মোট কালেকশন ছাড়িয়ে গেছে ১,৮০০ কোটি টাকা!
তারকা খচিত কাস্ট: রণবীর সিং ছাড়াও ছবিতে অভিনয় করেছেন অর্জুন রামপাল, সঞ্জয় দত্ত, রাকেশ বেদী, দানিশ পান্ডোর এবং সারা অর্জুন।
