ইস্টবেঙ্গল ৪ (র্যামিরেজ, এডমুন্ড, বিপিন ২)
চার্চিল ব্রাদার্স ০
আইএসএলে নবাগত চার্চিলকেও সমান গুরুত্ব দিয়েছিলেন ইস্টবেঙ্গল কোচ আন্তোনিও লোপেজ হাবাস। কারণ লাল-হলুদ ডিফেন্সের ফাঁকফোকর ভীষণ ভাবে চোখে পড়ছিল। বিশেষ করে এএফসিতে ইরাকের আল-শোর্তার বিরুদ্ধে দু-দু’বার এগিয়ে থেকে হেরে যাওয়ায় আইএসএলে নিজেদের অভিযান শুরু করার ম্যাচে কোনও রকম ঝুঁকি নিতে চাননি স্প্যানিশ কোচ। এমন একটা ম্যাচে চার্চিলকে ৪-০ গোলে হারিয়ে আইএসএল অভিযান শুরু করল গতবারের চ্যাম্পিয়নরা।
রবিবার গোয়ার ফতোরদা স্টেডিয়ামে শুরু থেকেই দাপট দেখাল ইস্টবেঙ্গল। ঘরের মাঠে চার্চিল ব্রাদার্সকে প্রথমার্ধেই জোড়া গোল দিল লাল-হলুদ। ম্যাচের মাত্র দু’মিনিটের মাথায় দুরন্ত ফ্রিকিকে দলকে এগিয়ে দেন দানি র্যামিরেজ। বক্সের সামনে স্প্যানিশ তারকাকে ফাউল করায় ফ্রিকিক পায় লাল-হলুদকে। সেই সুযোগ কাজে লাগিয়ে নিখুঁত শটে বল জালে জড়ান তিনি। ৪ মিনিটের মাথায় হলুদ কার্ড দেখেন চার্চিলের গৌরব বরা। শুরুতেই চাপে পড়ে যায় ঘরের দল। তবে গোল হজমের পর ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা চালায় চার্চিল। ১৭ মিনিটে ওকোলির শট পোস্টে লেগে ফিরে আসায় সমতায় ফেরার সুবর্ণ সুযোগ হাতছাড়া হয় তাদের।
Free-kick goals and Dani Ramirez A match made in heaven Watch #CBSCEBFC, live on YouTube and #SonyLIV: https://t.co/eof5Cadxyy #JoyEastBengal #MGISL13 https://t.co/NF1VX9ddpC
— East Bengal FC (@eastbengal_fc) October 18, 2026
দ্বিতীয় গোলের জন্য অবশ্য বেশিক্ষণ অপেক্ষা করতে হয়নি ইস্টবেঙ্গলকে। মাঝমাঠে রাশিদ ও এডমুন্ডের দ্বিফলায় একাধিক আক্রমণ তৈরি হয়। অন্যদিকে, লেকের ক্রস থেকে গোলের সুযোগ পেয়েও তা কাজে লাগাতে পারেনি চার্চিল। ৪২ মিনিটে গোল করার সহজ সুযোগ নষ্ট করেন লেকেও। তার ঠিক তিন মিনিট পর ব্যবধান বাড়ায় ইস্টবেঙ্গল। বাঁ-দিক থেকে ডেভিড হামারের বাড়ানো বল পেয়ে বক্সে ঢুকে গোল করেন এডমুন্ড। বিরতিতে ২-০ গোলে এগিয়ে থাকে ইস্টবেঙ্গল। দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই র্যামিরেজের শট আটকে দেন চার্চিলের গোলরক্ষক সায়াদ কাদির। পরে দূর থেকে শট নিয়ে ব্যবধান বাড়ানোর চেষ্টা করেন এডমুন্ড লালরিন্ডিকা। যদিও তা গোলরক্ষককে সমস্যায় ফেলতে পারেনি।
IT’S AGAIN IN THE MG ISL
Watch #CBSCEBFC, live on YouTube and #SonyLIV: https://t.co/eof5Cadxyy #JoyEastBengal #MGISL13 https://t.co/vjpCt4xfM9
— East Bengal FC (@eastbengal_fc) October 18, 2026
দ্বিতীয়ার্ধেও লড়াই ছাড়েনি চার্চিল। ৬৫ মিনিটে বক্সের মধ্যে দারুণ বল পেয়েও পা ছোঁয়াতে পারেননি লেকে। ইস্টবেঙ্গলের হয়ে গোলের ব্যবধান বাড়ানোর সুযোগ এসেছিল ৭১ মিনিটে। দ্রুত প্রতি-আক্রমণে বক্সে ঢুকে এডমুন্ড বল বাড়ান বিষ্ণুকে। কিন্তু কাছ থেকে সহজ সুযোগ নষ্ট করেন তিনি। প্রস্তুতি পর্বে ডুরান্ড কাপ ও আইএফএ শিল্ড খেলার অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে ইস্টবেঙ্গলকে বেশ ছন্দে দেখিয়েছে। তুলনায় সীমিত প্রস্তুতি নিয়েও চার্চিল লড়াই চালিয়ে গিয়েছে। তবে গোলের সুযোগ কাজে লাগানোর ক্ষেত্রে লাল-হলুদই এগিয়ে। ৮৫ মিনিটে বক্সের ঠিক বাইরে বাঁ-পায়ের জাদুতে বিশ্বমানের গোল করে হাবাস বাহিনীকে ৩-০ ব্যবধানে এগিয়ে দিলেন বিপিন সিং। ৯০ মিনিটে ফের গোল করলেন তিনি। শেষ পর্যন্ত ফলাফলও থাকল ৪-০। চার্চিলের ডেরায় গিয়ে চার্চিলকে হারিয়ে সপ্তমীতে আইএসএল ‘বোধন’ হল ইস্টবেঙ্গলের।

Watch #CBSCEBFC, live on YouTube and #SonyLIV: https://t.co/eof5Cadxyy #JoyEastBengal #MGISL13 https://t.co/vjpCt4xfM9