লালমনিরহাটের পাটগ্রাম উপজেলার বুড়িমারী সীমান্তে বাংলাদেশি কৃষকদের সঙ্গে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ) সদস্যদের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এ সময় লাঠিসোঁটা নিয়ে বিএসএফ সদস্যদের ধাওয়া দেন স্থানীয় বাংলাদেশিরা। এ ঘটনায় বিএসএফের পক্ষ থেকে সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপের অভিযোগ উঠেছে।
শনিবার (২৪ অক্টোবর) বিকেলে উপজেলার বুড়িমারী ইউনিয়নের বামনদল সীমান্তের ৮৩৭/৪-এস পিলারের কাছাকাছি এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয়দের দাবি, বিএসএফ সদস্যরা সীমান্তের বাংলাদেশ অংশে প্রায় ১০০ গজ ভেতরে প্রবেশ করে কৃষকদের মারধরের চেষ্টা করেন। এ সময় স্থানীয় বাংলাদেশিরা একত্রিত হয়ে লাঠিসোঁটা নিয়ে তাদের প্রতিরোধ করেন এবং ধাওয়া দেন। এ সময় বিএসএফ সদস্যরা সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ করেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
এর আগে গত ২০ অক্টোবর পাটগ্রাম উপজেলার তিনবিঘা করিডোর দিয়ে পারাপারের সময় এক বাংলাদেশি ভ্যানচালককে বিএসএফের এক সদস্য মারধর করেন বলে অভিযোগ ওঠে। এ ঘটনার পরদিন, ২১ অক্টোবর, বিজিবি ও বিএসএফের মধ্যে পতাকা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে বিজিবির পক্ষ থেকে এ ঘটনার প্রতিবাদ জানানো হলে ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনা আর ঘটবে না বলে দুঃখ প্রকাশ করেন বিএসএফ সদস্যরা।
তবে ওই ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই শনিবার বুড়িমারী সীমান্তে নতুন করে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। স্থানীয়দের অভিযোগ, বাংলাদেশ অংশে প্রবেশ করে কৃষকদের মারধরের চেষ্টা করায় গ্রামবাসীরা একত্রিত হয়ে বিএসএফ সদস্যদের প্রতিরোধ করেন।
এ বিষয়ে ৬১ বিজিবির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল শাহিনুল ইসলাম জানান, গত ২০ অক্টোবর তিনবিঘা করিডোরে এক বাংলাদেশি ভ্যানচালককে মারধরের অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে পতাকা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনা আর ঘটবে না বলে বিএসএফের পক্ষ থেকে দুঃখ প্রকাশ করা হয়।
তিনি আরও জানান, শনিবার বিকেলে পাটগ্রাম উপজেলার বুড়িমারী ইউনিয়নের বামনদল সীমান্তে বিএসএফ সদস্যদের সঙ্গে বাংলাদেশি গ্রামবাসীদের সৃষ্ট ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে বিজিবির পক্ষ থেকে প্রতিবাদপত্র পাঠানো হয়েছে।
ইএন/এসএ
