বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ১৮ ফিল্ড রেজিমেন্ট আর্টিলারী মাটিরাঙ্গা জোনের উদ্যোগে জোনের আওতায়,পৌরসভা ও সদর ইউনিয়ন এলাকার অসহায় দুঃস্থ পাহাড়ী-বাঙালি মানুষের মাঝে চক্ষু, মেডিসিন, ডায়াবেটিস ও অর্থোপেডিক্স বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকগণ বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা ও ওষুধ বিতরন কার্যত্রুম উদ্বোধন করেন মাটিরাঙ্গা জোনের জোন কমান্ডার লে.কর্নেল মাসুদ খাঁন পিএসসি
বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ৮ টার দিকে মাটিরাঙ্গা জোনের আওতায় বাইল্যাছড়ি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে মাটিরাঙ্গা জোনের সার্বিক সহযোগিতায় প্রায় ৭ শতাধিক জন পাহাড়ী-বাঙালি অসহায় ও দুস্থ নারী-পুরুষের স্বাস্থ্য পরীক্ষা, প্রয়োজনীয় চিকিৎসা পরামর্শ এবং বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা ও ওষুধ বিতরন করা হয়েছে।
এসময় মাটিরাঙ্গা জোনের উপ-অধিনায়ক মেজরআলতাফ মাহমুদ রুবেল পিএসসি পিএসসি, মাটিরাঙ্গা জোনের জোনাল স্টাফ অফিসার জেডএসও মেজর মো.সামিউল হক,সহ পদস্থ সামরিক কর্মকর্তা বিভিন্ন জায়গা থেকে চিকিৎসা নিতে আসা রোগী, গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
দিনব্যাপী বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা প্রদান করেন ঢাকা থেকে আসা চক্ষু বিশেষজ্ঞ ডাক্তার আব্দুল জলিল,গাইনি বিশেষজ্ঞ ডাক্তার কামরুন্নাহার ডলি,সার্জারি বিশেষজ্ঞ ডাক্তার নার্গিস আক্তার, মেডিসিন বিশেষজ্ঞ ডাক্তার, মেজর রায়হান, মেডিসিন বিশেষজ্ঞ ডাক্তার ক্যাপ্টেন রাফিউল, ডায়াবেটিস, অর্থোপেডিক্স বিশেষজ্ঞ ডাক্তাররা রোগীদের স্বাস্থ্য পরীক্ষা করে প্রয়োজনীয় পরামর্শ দেন এবং বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা প্রদান করেন।
বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা নিতে আসা তৈইকাতাং এলাকার সুনতি ত্রিপুরা বলেন, "ডাক্তার দেখানো ও ওষুধ কেনার সামর্থ্য অনেকেরই থাকে না। আজ সেনাবাহিনীর চিকিৎসক আমাদের পরীক্ষা করেছেন এবং বিনামূল্যে ওষুধ দিয়েছেন। এতে আমরা অনেক উপকৃত হয়েছি।
মাটিরাঙ্গা জোনের জোন কমান্ডার লে. কর্নেল মাসুদ খাঁন পিএসসি বলেন, “বাংলাদেশ সেনাবাহিনী দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষার পাশাপাশি পার্বত্য অঞ্চলের মানুষের কল্যাণে কাজ করে যাচ্ছে। পাহাড়ি-বাঙালি সব সম্প্রদায়ের মানুষের পাশে দাঁড়ানো এবং অসহায় ও দুস্থ মানুষের জীবনমান উন্নয়নে সহযোগিতা করা আমাদের দায়িত্বের অংশ। আর্থিক অসচ্ছলতার কারণে কেউ যেন প্রয়োজনীয় চিকিৎসাসেবা থেকে বঞ্চিত না হন, সে লক্ষ্যেই চক্ষু, মেডিসিন, ডায়াবেটিস ও অর্থোপেডিক্স বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকগণ বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা ও ওষুধ ওষুধ বিতরণ কার্যক্রমের আয়োজন করা হয়েছে। ভবিষ্যতেও জনকল্যাণমূলক কার্যক্রমের মাধ্যমে স্থানীয় মানুষের পাশে থাকার প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে।
জেএইচআর
