Published on
:
1 min read
এই সময়, ভাঙড়: প্রধান নির্বাচন ঘিরে দিনভর টানাপড়েন। শেষ পর্যন্ত নতুন প্রধান নির্বাচন ছাড়াই স্থগিত হয়ে গেল ভাঙড়-২ ব্লকের ভগবানপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান নির্বাচনের প্রক্রিয়া। মঙ্গলবার কড়া পুলিশি নিরাপত্তার মধ্যেও তৃণমূল ও আইএসএফের মধ্যে ঐকমত্য না হওয়ায় জট কাটল না। পুজোর পর নতুন করে দিন ঘোষণা করবে ব্লক প্রশাসন।
ব্লক প্রশাসন সূত্রে খবর, ২০২৩-এর পঞ্চায়েত নির্বাচনে ভগবানপুরের ২৮টি আসনের মধ্যে ২৪টিতে জয়ী হয় তৃণমূল। আইএসএফ পেয়েছিল চারটি আসন। পরে আইএসএফের এক সদস্য তৃণমূলে যোগ দেওয়ায় তৃণমূলের সদস্য সংখ্যা বেড়ে হয় ২৫। প্রধান হন তৃণমূল নেতা খইরুল ইসলামের স্ত্রী মারুফা খাতুন। ২০২৬-এর বিধানসভা নির্বাচনের পর তৃণমূলের ১৩ জন সদস্য আইএসএফকে সমর্থন করায় গত ২৩ জুলাই মারুফার বিরুদ্ধে অনাস্থা আনে আইএসএফ। পরে দুই সদস্য তৃণমূলে ফিরে যাওয়ায় দুই শিবিরের সদস্যসংখ্যা দাঁড়ায় ১৪-১৪।
এ দিন সকাল থেকেই পঞ্চায়েত চত্বরে মোতায়েন ছিল প্রচুর পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনী। বিভিন্ন রাস্তায় চলে নাকা তল্লাশি। পুলিশি নিরাপত্তায় পঞ্চায়েতে পৌঁছন দুই দলের সদস্যরা। তৃণমূল মারুফা খাতুনের নাম প্রস্তাব করে। অন্যদিকে, আইএসএফের প্রস্তাবিত দুই পুরুষ সদস্যের নাম সংরক্ষণের নিয়মে বাতিল হয়। পরে মহিলা সদস্যকে প্রধান করার প্রস্তাব ঘিরেও আইএসএফের অন্দরে মতানৈক্য দেখা দেয়। মারুফাকে নিয়ে তৃণমূলের মধ্যেও জটিলতা তৈরি হয়।
ব্লক প্রশাসন সূত্রে খবর, অনাস্থার মুখে পড়া প্রধানকে এক বছরের আগে ফের ওই পদে বসানো যায় না। আইনি জটিলতার কারণেই এ দিন প্রধান নির্বাচন হয়নি। খইরুল ইসলাম আদালতে যাওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন। অন্যদিকে, আইএসএফের জেলা পরিষদ সদস্য রাইনুর হকের দাবি, বিকল্প মুখ না থাকায় প্রধান গঠন করতে পারেনি তৃণমূল।