এবার রামলীলার ময়দানেও আরশোলা! রাবণ, কুম্ভকর্ণ, মেঘনাদের পাশাপাশি ৩০ ফুটের আরশোলাকেও ‘বধ’ করা হবে দিল্লিতে। ইতিমধ্যে রাজধানীতে শুরু হয়ে গিয়েছে তার প্রস্তুতি। প্রশ্ন উঠছে, নথিবদ্ধ রাজনৈতিক দল না হয়েও একাধিক আন্দোলনে ভারতীয় রাজনীতিতে প্রাসঙ্গিক হয়ে ওঠা, কেন্দ্রের শাসক দলের নাভিশ্বাস তোলা অভিজিৎ দীপকে প্রতিষ্ঠিত ‘ককরোচ জনতা পার্টি’ই কি আরশোলা বধের নেপথ্যে?
রাজধানীর পিতমপুরার ‘শ্রী কেশব রামলীলা কমিটি’ সদস্যদের দাবি, ‘আরশোলা’ বধ আসলে ‘অপরিচ্ছন্নতা ও ময়লা’র বিরুদ্ধে একটি প্রতিবাদ। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ‘স্বচ্ছ ভারত’ অভিযানের অংশ হিসাবেই বিষয়টিকে দেখা হচ্ছে। এই কমিটির প্রেসিডেন্ট বিজেপি বিধায়ক অশোক গোয়েল। তাঁর বক্তব্য, রামলীলায় আরশোলা বধের সঙ্গে রাজনীতির বিন্দুমাত্র সম্পর্ক নেই। তাহলে হঠাৎ আরশোলা বধ কেনা? গোয়েলের দাবি, রাবণসেনায় অসুরদের মধ্যে ছিল আরশোলাও। এই হল সেই আরশোলা।
প্রসঙ্গত, প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তের একটি বিতর্কিত মন্তব্যের প্রতিবাদে জন্ম হয় ‘ককরোচ জনতা পার্টি’র। ‘ভারতীয় জনতা পার্টি’র প্যারোডি করা শব্দগুচ্ছ। অনলাইনে দ্রুত জনপ্রিয়তা অর্জন করে অভিজিৎ দীপকে প্রতিষ্ঠিত দলটি। এক সপ্তাহের মধ্যে সাড়ে তিন লক্ষ যুবা এর সদস্য হয়। ইনস্টাগ্রামে ২ কোটি ২০ লক্ষেরও বেশি ফলোয়ার হয়। এরপর প্রশ্নফাঁস আন্দোলনে নামে তারা। যার জেরে ইস্তফা দিতে বাধ্য হন প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান। এসআইআর বিরোধী এবং মুখ্য নির্বাচন কমিশনার কুমারের ইস্তফার দাবিতে আন্দোলনেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিচ্ছে সিজেপি। অল্প সময়ের মধ্যেই বিজেপি সরকারের বিপরীতে শক্তিশালী বিরোধী হয়ে উঠছে আরশোলা।
