চলতি বছর ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হওয়ার সংখ্যা ১ লাখ অতিক্রম করেছে। একই সময়ে মারা গেছেন ৩০৭ জন। এ ছাড়া আরও চারজনের মৃত্যুর পাশাপাশি ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়েছে ১ হাজার ১৬৭ জন। গতকাল সোমবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ডেঙ্গুবিষয়ক নিয়মিত বুলেটিনে এসব তথ্য দেওয়া হয়েছে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, চলতি বছর ডেঙ্গুতে আক্রান্তদের মধ্যে প্রায় ৬৩ হাজার পুরুষ ও ৩৮ হাজার নারী। মৃত্যুদের মধ্যে পুরুষ ১৪৭ জন ও নারী ১৫৫ জন। অর্থাৎ নারী ৫১ দশমিক ৩ শতাংশ এবং পুরুষ ৪৮ দশমিক ৭ শতাংশ। চলতি বছর হাসপাতালে ভর্তি রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ১ হাজার ৪৪২ জনে। এর মধ্যে ৯৫ হাজার ৩৩১ জন সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন।
মাসের হিসাব অনুযায়ী, জানুয়ারি ও ফেব্রুয়ারিতে দুজন করে, মার্চ ও এপ্রিলে শূন্য, মে মাসে এক ও জুনে ১৩ জন প্রাণ হারান। এর পর পরিস্থিতির অবনতি হতে থাকে। জুলাইয়ে ৩৬ এবং আগস্টে ৪৩ জন মারা যান। সেই তুলনায় সেপ্টেম্বরে অবস্থার আরও অবনতি ঘটে। প্রাণহানি হয় ১৪৮ জনের। আর চলতি অক্টোবরে এখন পর্যন্ত মৃত্যু হয়েছে ৬২ জনের। এর মধ্যে একদিনে সর্বোচ্চ ১০ জন মারা যান ৬ অক্টোবর।
পরিসংখ্যান বলছে, নতুন করে সবচেয়ে বেশি রোগী ভর্তি হয়েছেন ঢাকা বিভাগে ৮৭১ জন। এ ছাড়া চট্টগ্রামে ২৮৭ জন, খুলনায় ২৯৮, বরিশালে ২৪৩, রাজশাহীতে ২৫৩, ময়মনসিংহে ১০২ এবং রংপুরে ৯২ জন রোগী ভর্তি হয়েছেন।
কীটতত্ত্ববিদরা বলছেন, ঢাকার বিভিন্ন হাসপাতালে ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা প্রায় প্রতিদিনই বাড়ছে। পাল্লা দিয়ে বাড়ছে মৃত্যুর সংখ্যাও। ফলে জনমনে এক ধরনের উদ্বেগও তৈরি হয়েছে। অক্টোবর মাস ডেঙ্গু সংক্রমণের সবচেয়ে উপযোগী সময়। এ মাস থেকে প্রতিদিনই সংক্রমণ বাড়বে।
