The Sangbad · সাধারণ
ইউক্রেনে রাতভর হামলায় নিহত ৩, ৬ লাখ বিদ্যুৎহীন
১৪/১০/২০২৬

ইউক্রেনজুড়ে রাতভর একাধিক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়েছে রাশিয়া। এতে রাজধানী কিয়েভসহ বিভিন্ন অঞ্চলে অন্তত তিনজনের মৃত্যু হয়েছে এবং আহত হয়েছেন আরও ২১ জন। ভয়াবহ এই হামলায় বিদ্যুৎহীন অবস্থায় পড়েছে দেশটির প্রায় ৬ লাখ মানুষ।বিবিসির প্রতিবেদন সূত্রে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি এসব তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।জেলেনস্কি জানান, রাজধানী কিয়েভ, এর আশপাশের এলাকা এবং উত্তর-পূর্বাঞ্চলের প্রধান শহর খারকিভের গুরুত্বপূর্ণ বিদ্যুৎ ও জ্বালানি অবকাঠামোকে লক্ষ্য করে এই বিমান হামলা চালায় মস্কো। ইউক্রেনের জরুরি পরিষেবা সংস্থা (ডিএসএনএস) জানিয়েছে, কিয়েভে প্রাণহানির পাশাপাশি অবকাঠামোগত ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।বিস্ময়কর বিষয় হলো, মাত্র দুই দিন আগেই মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছিলেন যে ইউক্রেন ও রাশিয়ার মধ্যে জ্বালানি স্থাপনায় হামলা বন্ধে একটি সমঝোতা বা যুদ্ধবিরতি কার্যকর হয়েছে। উভয় পক্ষকে তা মেনে চলার আহ্বান জানালেও তা উপেক্ষা করেই নতুন করে এই আগ্রাসন চালাল রাশিয়া।ইউক্রেনের বিমানবাহিনী জানিয়েছে, রাশিয়া রাতভর ৩৯টি ব্যালিস্টিক ও ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র এবং ১২৮টি ড্রোন নিক্ষেপ করেছে। এর মধ্যে ৪টি ক্ষেপণাস্ত্র ও ১১৫টি ড্রোন ভূপাতিত করার দাবি করেছে ইউক্রেনীয় বাহিনী। অন্যদিকে, রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানায়, রাতে ইউক্রেনীয় সামরিক বাহিনীর ব্যবহৃত যোগাযোগ ও বিদ্যুৎ অবকাঠামোতে পরিকল্পিত ‘ব্যাপক’ হামলা চালানো হয়েছে। পাশাপাশি রাশিয়ার আকাশসীমা ও ক্রিমিয়া উপদ্বীপে ইউক্রেনের ৯০২টি ড্রোন ধ্বংসের দাবিও করেছে মস্কো।রাশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই লাভরভ এই যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা খারিজ করে বলেন, এই ধরনের সাময়িক সমঝোতার সুযোগ নিয়ে ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন ইউক্রেনকে আরও অস্ত্র সরবরাহ করবে, যা যুদ্ধকে দীর্ঘায়িত করবে।উল্লেখ্য, ২০২২ সালে রাশিয়া পূর্ণমাত্রায় সামরিক অভিযান শুরুর পর থেকে বর্তমানে ইউক্রেনের প্রায় ২০ শতাংশ এলাকা নিয়ন্ত্রণ করছে মস্কো।
মূল প্রতিবেদনে যান ↗