- ১২ অক্টোবর, ২০২৬ ০৪:০০
নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: বিদেশি দলের বিরুদ্ধে বরাবরই উজ্জীবিত পারফরম্যান্স মেলে ধরেছে ইস্ট বেঙ্গল। সাফল্যের তালিকায় উপরের দিকেই থাকবে আল জাওরা ম্যাচ। ১৯৯৩ সালে যুবভারতীতে এশিয়ান কাপ উইনার্স কাপের ম্যাচে ইরাকের ক্লাবটিকে ৬-২ গোলে বশ মানিয়েছিল লাল-হলুদ ব্রিগেড। হ্যাটট্রিক করেছিলেন কার্লটন চাপম্যান। মঙ্গলবার এসিএল টু’য়ের ম্যাচে ইস্ট বেঙ্গলের সামনে আরও এক ইরাকের ক্লাব আল শোর্তা। কঠিন লড়াইয়ে নামার আগে ৩৩ বছর আগের সাফল্যকে ছেলেদের সামনে প্রেরণা হিসাবে মেলে ধরতেই পারেন হাবাস। ঘরের মাঠে চেনা পরিবেশ কাজে লাগিয়ে শক্তিশালী প্রতিপক্ষকে টেক্কা দিতে মরিয়া লাল-হলুদের স্প্যানিশ কোচ। তবে সাত বিদেশি সমৃদ্ধ শোর্তা অন্যতম কঠিন চ্যালেঞ্জার। উল্লেখ্য, গ্রুপের প্রথম ম্যাচে জর্ডনের আল হুসেইনের বিরুদ্ধে ২-২ গোলে ড্র করেছিল ইস্ট বেঙ্গল। অন্যদিকে, ওমানের আল সিবকে পরাস্ত করে আল শোর্তা।
গত দু’দিন রাজারহাটের সেন্টার অব এক্সিলেন্সে প্রস্তুতি সারছেন রশিদ, রামিরেজরা। অনুশীলনে ইঙ্গিত মিলছে শক্তিশালী প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে পাঁচ ডিফেন্ডারে দল সাজাতে পারেন হাবাস। রক্ষণে জিভুলিচ বেশ শ্লথ। নড়বড় করছেন মাঝেমধ্যেই। ঘাটতি মেটাতে তাঁর সঙ্গে আনোয়ার ও লালচুংনুঙ্গাকে জুড়ে দেওয়ার সম্ভাবনা প্রবল। পাশাপাশি হার্দিক ভাট ও জয় গুপ্তাকে উইং ব্যাকের ভূমিকায় দেখা যেতে পারে। শিল্ড ফাইনালে চোট পেয়েছিলেন সন্দীপ মান্ডি। এসিএল টু তো বটেই, আইএসএলের শুরুতেও অনিশ্চিত তিনি। মাঝমাঠে রশিদ, রামিরেজ, জিকসনের নিউক্লিয়াস শিল্ড ফাইনালে চূড়ান্ত ব্যর্থ। আল শোর্তার বিরুদ্ধে তাঁরা কীভাবে পারফর্ম করেন তার উপর অনেক কিছু নির্ভরশীল। সিঙ্গল স্ট্রাইকারের ফর্মেশনে এদিন ডেভিডকে কিছুক্ষণ অনুশীলন করানো হয়। শিল্ডে নর্থ ইস্টের বিরুদ্ধে হ্যাটট্রিক করেছিলেন মিজো তরুণ। পাশাপাশি বড়ো চেহারার লুকাসকেও তৈরি রাখা হচ্ছে। অন্যদিকে, ইরাকের ক্লাবটি এদিন যুবভারতীর প্র্যাকটিস মাঠে অনুশীলন করে। কলকাতার আর্দ্রতা নিয়ে কিছুটা চিন্তায় তারা। এদিকে, রবিবার সিকিম গভর্নর্স গোল্ড কাপ থেকে বিদায় নিল লাল-হলুদের রিজার্ভ দল। সিকিমের স্থানীয় ক্লাব আক্রমণ এফসির কাছে ১-২ গোলে পরাস্ত হন বিলালরা।
